কলকাতা: আবারও সংবাদ শিরোনামে বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। এবার আর মন্তব্যে বিতর্কের জন্য় নয়, বাংলাদেশি জঙ্গিদের নিশানায় নাকি বিজেপির এই কেন্দ্রীয় নেতা। সেই কারণেই আগের চেয়ে এখন অনেক আঁটোসাঁটো বিজয়বর্গীয়ের নিরাপত্তা।

রীতিমতো ভয়ে রয়েছেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। বিজেপি নেতার দাবি, বাংলাদেশি জঙ্গিরা তাঁকে খুঁজছে, এমনকি তাঁকে খুনের চক্রান্ত করেছে জঙ্গিরা। ইতিমধ্যেই নাকি তাঁকে খুনের জন্য রেইকি করে ফেলেছে জঙ্গিদের একটি দল। সেই কারণেই বিজেপি নেতার নিরাপত্তা আগের চেয়ে অনেকটাই আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে কৈলাশের নিরাপত্তরক্ষীর সংখ্যাও। সভা-মিছিলে বিজেপি নেতার আশেপাঁশে ঘেঁষতেই দেওয়া হচ্ছে না বহিরাগতদের। নিজেও আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক কৈলাশ।

কৈলাশ বিজয়বর্গীর দাবি, ‘বাংলাদেশি কিছু জঙ্গি আমায় খুঁজছে৷ জঙ্গিরা রেইকি করছে৷’ মধ্যপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন বিজয়বর্গীয়৷ মধ্যপ্রদেশে থাকাকালীনও নাকি তিনি এত নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে ঘুরতেন না। এই প্রসঙ্গে বিজয়বর্গীয় বলেন, ‘কখনও এত বন্দুকধারী নিরাপত্তা রক্ষী নিয়ে ঘুরিনি৷ বাংলাদেশের জঙ্গিরা আমায় খুঁজছে। গত দেড় বছর ধরে রেইকি করছে।’

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সওয়াল করতে গিয়েই তাঁর নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়টি খোলসা করেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। কেন্দ্রীয় আইনের পক্ষে সওয়াল করে বিজয়বর্গীর দাবি, সিএএ নিয়ে ভুয়ো তথ্য দিয়ে দেশকে বিভ্রান্ত করছে কিছু রাজনৈতিক দল ও মানুষ। দেশের স্বার্থেই কেন্দ্রীয় সরকার এই আইন তৈরি করেছে। সিএএ-র ফলে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করা হবে।

নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি নিয়ে কেন্দ্র-বিরোধিতায় সরব বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। কেন্দ্রের এই দুই আইন বাতিলের দাবিতে লাগাতার আন্দোলনে নেমেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি বাম, কংগ্রেস-সহ বিজেপি বিরোধী প্রায় সব দলই সিএএ ও এনআরসি ইস্যুতে পথে নেমে আন্দোলনে সামিল। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ তুলে ক্রমেই চড়া হচ্ছে বিরোধিতার সুর। উলটোদিকে কেন্দ্রীয় আইনের সমর্থনে রাজ্যে রাজ্যে জোরদার সওয়াল করে চলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। দেশের স্বার্থেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন তৈরি হয়েছে বলে সওয়াল করে চলেছেন বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরা।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।