স্টাফ রিপোর্টার, হাবড়া : ‘তৃণমূলে থেকে কুকর্ম করে বিজেপিতে গিয়ে তারাই আজকের বিজেপির মুখ। যদি হিম্মত থাকে তো মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লড়ে দেখাক।’ হাবড়ায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসে এমনই মন্তব্য করেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

হাবড়ায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে দলের একটি আলোচনা সভায় অংশ গ্রহন করেন তিনি। এরপর আলোচনা সভায় থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নন্দীগ্রামে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়ানোর বিষয় নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ নিয়ে পাল্টা উত্তরে তিনি বলেন, “বিজেপির মুখে মারিতং জগতং কথা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে দাঁড়ানোর ক্ষমতা কারও নেই। যদি হিম্মত থাকে তো মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভোটে লড়ে দেখাক। এটা রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ রইল। বিজেপি নাকানি চুবানি খেয়ে যাবে এই বাংলায়। একুশের বিধানসভা ভোটে ৭০ টির বেশি আসন পাবে না।”

‘সিএএ’ লাগু নিয়ে তিনি আরও জানান,আগামী ৭ বছর লাগবে এই সিএএ লাগু করতে। তবে তার আগে যে সমস্ত নিয়মকানুন আছে সমস্ত নিয়মকানুন বিজেপির নেতারা জানেন না তাই তারা বিভিন্ন ধরনের ভাষণ দিচ্ছেন।

পাশাপাশি রাজ্যে মোদী অমিত শাহর আসাকে কেন্দ্র করে তিনি বলেন, “শুধুমাত্র মোদী অমিত শাহ কেন সমস্ত কেন্দ্রের সমস্ত নেতাকর্মীরা বাংলায় আসলেও কোনও ভাবে জিততে পারবে না। তাই এই বাংলায় এসে কোনও লাভ নেই।”

পাশাপাশি এদিন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভারতে এসে স্বামীজীকে নিয়ে বলতে গিয়ে ভাষাগত উচ্চারণ সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে খাদ্যমন্ত্রী নিজের মুখে ব্যাঙাত্বক ভাষায় দেখিয়ে বিদ্রুপও করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।