নয়াদিল্লি: কর্নাটকের দিকেই কি যেতে চলেছে মধ্যপ্রদেশের ভবিষ্যৎ ? উঠছে জোর প্রশ্ন। দোলাচলের মধ্যেই অমিত শাহের সঙ্গে মোদীর বাসভবনে দেখা করলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

সোমবার রাতে খবর আসে ‘নিখোঁজ’ ১৬ জন কংগ্রেস বিধায়ক। খবর পেয়েই দিল্লি থেকে ভোপালে ছুটে যান কমলনাথ। এরপরই বৈঠকে বসেন তিনি। বৈঠকেই সব মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে বলেন তিনি। এরপরই মন্ত্রীরা পদত্যাগপত্র জমা দেন। সেই পদত্যাগ পত্র গ্রহণও করে নেন মুখ্যমন্ত্রী।

বৈঠকের পর কমল নাথ বলেন, ‘যারা অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে কাজ করছে, তাদের সফল হতে দেব না। মধ্যপ্রদেশের মানুষের ভালোবাসা আমার সঙ্গে আছে।’ মন্ত্রীদের পদত্যাগ পত্র গ্রহণের পাশাপাশি নতুন করে মন্ত্রিসভা গঠন করতে চলেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে দ্বিগবিজয় সিং বলেন, “আমরা সিন্ধিয়া জী-র সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু বলা হচ্ছে তিনি সোয়াইন ফ্লু-তে আক্রান্ত। তাই আমরা তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পারি নি।” পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশে টালমাটাল কংগ্রেসের পরিস্থিতি বিবেচনা করে তিনি জানিয়েছেন, “যারা সত্যিকারের কংগ্রেসি, তাঁরা কংগ্রেসেই থাকবে।”

যে ১৬ বিধায়ক ‘নিখোঁজ’ তাঁদের রয়েছেন মধ্যপ্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তুলসী সিলাভাত, শ্রমমন্ত্রী মহেন্দ্র সিং সিসোদিয়া, পরিবহন মন্ত্রী গোবিন্দ সিং রাজপুত, নারী কল্যান মন্ত্রী ইমারতি দেবী, স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী ড, প্রভুরা চৌধুরী ও খাদ্যমন্ত্রী প্রদ্যুম্ন সিং তোমার।

অন্যদিকে, কমলনাথ সরকার পড়ে গেলে বিজেপি সেখানে বিজেপির কৌশল কি হবে তা ইতিমধ্যেই সাজিয়ে ফেলেছে নেতৃত্ব। শোনা যাচ্ছে, সে রাজ্যে শিবরাজ সিং চৌহনকেই মুখ্যমন্ত্রী পদ দেওয়া হতে পারে। তবে মূল কারিগর তাঁকে বিজেপি অবশ্যই পুরস্কৃত করবে। আর সেই পুরস্কার হিসাবে জ্যোতিরাদিত্যকে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী করা হতে পারে।