ভোপাল: রাহুল গান্ধীর অন্যতম পছন্দের জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার বিজেপি যোগের জল্পনা তুঙ্গে। মধ্যপ্রদেশের কমলনাথ সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলেরই গুরুত্বপূর্ণ নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। দলেরই সরকারের বিরুদ্ধে এহেন হুঁশিয়ারির জেরে জ্যোতিরাদিত্যের পদ্ম শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে এখন মধ্যপ্রদেশ রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে।

মধ্যপ্রদেশের অতিথি শিক্ষকদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। বিজেপিকে সরিয়ে মধ্যপ্রদেশের ক্ষমতায় এখন কংগ্রেস। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এক বছর কেটে গেলেও রাজ্যের অতিথি শিক্ষকদের ব্যাপারে সদর্থক কোনও পদক্ষেপ করেনি কমলনাথের সরকার, এমনই অভিযএাগ তুলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

মধ্যপ্রদেশ সরকার-সহ কংগ্রেস হাইকম্যান্ডকে অস্বস্তিতে ফেলে জ্যোতিরাদিত্য জানান, ২০১৮-র বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহারেই অতিথি শিক্ষকদের দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। যদি নির্বাচনী ইস্তেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ না করা হয়, তাহলে তিনি আন্দোলনকারীদের জন্য রাস্তায় গিয়ে নামবেন।

মধ্যপ্রদেশের কলেজগুলির প্রায় ৫ হাজার অতিথি শিক্ষক ভোপালে গত ২ মাস ধরে অবস্থান-বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। দিন কয়েক আগে একজন অতিথি শিক্ষক আত্মহত্যাও করেছেন। এদিকে, দলের সরকারের বিরুদ্ধে দলেরই গুরুত্বপূর্ণ নেতারর এই অবস্থানে স্বভাবতই অস্বস্তিতে পড়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। জ্যোতিরাদিত্যকে প্রকাশ্যে কথা না বলার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী। বরং মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের সঙ্গে এবিষয়ে তাঁকে আলোচনা করতে আবেদন জানিয়েছেন রাজ্য কংগ্রেসের অন্য নেতারা।

অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন মধ্যপ্রদেশ সরকারের বিরুদ্ধে দলেরই নেতার প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। অনেকের মতে, বিজেপির হাত শক্ত করতেই নাকি সরকারের বিরুদ্ধাচরণে নেমেছেন জ্যোতিরাদিত্য। এমনকী বিজেপিতে যোগ দিলে জ্যোতিরাদিত্যকে নাকি বড়সড় কোনও পদও দেওয়ার প্রস্তাব ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। তবে এসবই রাজনৈতিক জল্পনামাত্র। দল ছাড়া বা গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে কোনও ইঙ্গিতই দেননি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও