নয়াদিল্লি: গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে চরম জল্পনা। অবশেষে বিজেপিতে যোগ দিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। জে পি নাড্ডার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি।

তাঁর যোগদানের পর নাড্ডা অভিনন্দন জানান। তাঁকে পরিবারের সদস্য হিসেবে স্বাগত জানান তিনি।

সিন্ধিয়া বলেন, ‘আমার জীবনে দুটি দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটা হল ৩ সেপ্টেম্বর, যেদিন আমি আমার বাবাকে হারিয়ে ছিলাম। আর অন্যটা হল ১০ মার্চ, ২০২০। বাবার ৭৫ তম জন্মবার্ষিকী ছিল। আর সেদিন জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের মুখোমুখি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, জনসেবার করার একটা মাধ্যম হল রাজনীতি। এর থেকে বেশি কিছু নয়। আর কংগ্রেস আর আগের মত নেই।’ তাঁর দাবি, কংগ্রেস কৃষকদের চাহিদা মেটায়নি। আজও মধ্যপ্রদেশে হাজার হাজার কৃষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জেরে মামলা চলছে। তাঁর মতে, বিজেপির হাতেই দেশ সুরক্ষিত। আর বিজেপির হাত ধরেই জনসেবা করতে পারবেন তিনি।

সিন্ধিয়া আরও বলেন, ‘কংগ্রেসের জনহিত করার যে লক্ষ্য ছিল, তা এখন আর নেই। আর বর্তমানে কংগ্রেস পূর্বের মত পরিস্থিতিতে নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিন সকাল সাড়ে ১২ টা তাঁর বিজেপিতে যোগদানের কথা ছিল। পরে সেই সময় বদলে যায়। যা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছিল।

যদিও এখনও পর্যন্ত অন্যান্য বিধায়কদের বিজেপি যোগ দেওয়া নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। মঙ্গলবার দলত্যাগ করেন অন্তত ২২ জন। তাঁরা প্রত্যেকেই সিন্ধিয়ার সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন যে তাঁরা ‘মহারাজে’র সঙ্গে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে থাকবেন না।

আরও পড়ুন: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে করোনা, দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬১

আজ বুধবার কমল নাথ শিবিরের বিধায়কদের উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রাজস্থানে। সেখানকার বুয়েনা ভিস্তা রিসর্টের ৫২টি ঘরের মধ্যে ৪২টিই বুক করে নিয়েছে কংগ্রেস। দলে রয়েছেন ৯২ জন বিধায়ক। বাকি ঘরগুলিও খালি হলেই কংগ্রেসের তরফে বুক করে নেওয়া হবে বলে কংগ্রেস সূত্রে খবর। গত বছর মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে সংঘাতের সময়ও কংগ্রেসের বিধায়কদের এই হোটেলেই রাখা হয়েছিল।