ভোপাল: জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দল ছাড়তেই ছবিটা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে শুরু করে৷ শেষমেশ সেই আশঙ্কাই সত্যি হল শুক্রবার৷ রাজ্যপালের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ৷ মধ্যপ্রদেশে বিজেপির সরকার গড়া এখন সময়ের অপেক্ষা৷ এবার জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানালেন, মধ্যপ্রদেশে শক্তিশালী সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি৷

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে মধ্যপ্রদেশের কুর্সিতে শিবরাজ সিং চৌহানের বসা এখন সময়ের অপেক্ষা৷ তবে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকেও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছেন কোনও কোনও পক্ষ৷ আস্থাভোটের কয়েক ঘণ্টা আগেই পদত্যাগ করে বিজেপির পথ আরও মসৃণ করে দিয়েছেন কমলনাথ। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, হার নিশ্চিত বুঝেই রাজ্যপালের কাছে গিয়ে আগেভাগে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কমলনাথ। ফের মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতা দখল করতে চলেছে গেরুয়া শিবির৷

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দল ছাড়তেই তাঁর অনুগামী ২২ বিধায়কও কংগ্রেস ছাড়েন৷ ২২ জনের মধ্যে ৬ জন বিধায়কের ইস্তফা গ্রহণ করেছিলেন অধ্যক্ষ। সুপ্রিম কোর্টের চাপে পড়ে পরে বাকি ১৬ বিধায়কের ইস্তফাও গ্রহণ করেন অধ্যক্ষ। বিধায়কদের ইস্তফা গ্রহণ করতেই মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের সরকারের পতন নিশ্চিত হয়। বিজেপি মধ্যপ্রদেশে সরকারে এলে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন হবে বলে মনে করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া৷ ইতিমধ্যেই কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পুরস্কারও পেয়ে গিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য৷ তাঁকে রাজ্যসভার ভোটে প্রার্থী মনোনীত করেছে গেরুয়া শিবির৷

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দলে যোগ দেওয়ায় বিজেপি আরও শক্তিশালী হবে বলে মত অমিত শাহ, রাজনাথ সিংদের৷ বিজেপির শীর্ষ নেতারা সাদরে গ্রহণ করেছেন একদা কংগ্রেসের এই দাপুটে নেতাকে৷ এদিকে, এদিন কমলনাথের পদত্যাগের পরই মুখ খোলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি বলেন, ‘‌প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে মধ্যপ্রদেশে শক্তিশালী সরকার তৈরি হবে৷ দলই সিদ্ধান্ত নেবে যে সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কে হবে।’