প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : বারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্তের সঙ্গে দেখা করতে এসে হতাশ হয়ে ফিরলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বাড়িতে না থাকায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে দেখা হল না বারাকপুরের বেসুরো তৃণমূল বিধায়কের।

বারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্তের বাড়িতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেখা করতে আসেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। যদিও সেই সময় শীলভদ্র বাবু তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না।

বিধায়ক শীল ভদ্র দত্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এরপর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ” দীর্ঘ ৪৫ বছরের বন্ধু শীলভদ্র। তাঁর সঙ্গে দেখা করতেই তার এখানে আসা। ওর যদি কোনও ক্ষোভ থাকে দলীয় স্তরে প্রশমনের চেষ্টা করা হবে। আমি বন্ধু শীল ভদ্র দত্তের কাছে এসেছিলাম। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।”

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই পিকের টিম শীলভদ্র দত্তের সঙ্গে দেখা করে তাঁর মান ভঞ্জনে ব্যর্থ হয়। রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও কার্যত নিরাশ হলেন শীলভদ্র দত্তের সঙ্গে দেখা করতে এসে। বারাকপুরের বিধায়ক শীল ভদ্র দত্তের ক্ষোভ তৃণমূল দলকে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছে। পিকের টিমের সদস্য থেকে শুরু করে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সকলেই চেষ্টা করছেন শীল ভদ্র দত্তের সঙ্গে কথা বলে তার ক্ষোভ মেটানোর।

তবে বারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীল ভদ্র দত্ত এখনও অনড় তাঁর সিদ্ধান্তে। তিনি এক প্রকার জানিয়েই দিয়েছেন আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে কোনি সম্পর্কে তিনি জড়াবেন না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।