স্টাফ রিপোর্টার, ব্যারাকপুর: কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের বাজেট আসলে সাধারন মানুষের কাছে একটা ধোঁয়াশা ছাড়া আর কিছুই নয়। শনিবার কেন্দ্রীয় বাজেটের এভাবেই সমালোচনা করলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

এদিন তিনি সাংবাদিকদের বলেন “নরেন্দ্র মোদীর সরকারের গত পাঁচ বছরের বাজেট, আর এই বছরের বাজেট সবটাই সাধারণ মানুষের কাছে গল্প। একটা বড় শূন্য ছাড়া আর কিছুই না। পাঁচ লক্ষ টাকা কর ছাড় দিচ্ছে, কিন্তু তার আগে থেকেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার মানুষের ওপর অনেক রকমের করের বোঝা চাপিয়ে রেখেছে, যার ভারে আমরা বাটুল হয়ে গেছি। আর সি এ এ, এন আর সি, এসব নিয়ে মানুষ ব্যাস্ত তাদের আর বাজেট নিয়ে ভাবার সময় কোথাও আছে এখন? সবাই তো আতঙ্কিত।”

শনিবার শুরু হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী ৬৬ তম বাণীপুর লোক উৎসব। বানীপুর লোক উৎসবের সূচনা করতেই উপস্থিত হন খাদ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকারে একঝাঁক নেতা মন্ত্রী, বাউল শিল্পী সহ প্রশাসনিক আধিকারিকদের হাত ধরে এই মেলার সূচনা হয়। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে উৎসব চলবে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। শনিবার সন্ধেয় প্রথমে লোক উৎসবের পতাকা উত্তোলন করেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এরপর ফিতে কেটে এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে এই উৎসবের সূচনা করেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ব্রাত্য বসু, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ অন্যান্যরা।

বাউল শিল্পী গোলাম ফকির, জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্তী, ডিআইজি সি সুধাকর-সহ অন্য বিশিষ্ট জনেরা উৎসব মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন । পায়ে পায়ে ৬৬তম বছরে পড়ল রাজ্যের অন্যমন ঐতিহ্যবাহী সেরা লোক উৎসব হাবড়ার বাণীপুর লোক উৎসব। হাবড়ার বাণীপুরে জনতা কলেজ মাঠে এই লোক উৎসবের পসরা সাজানো হয়েছে। বাংলার প্রাচীন সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্র যেমন তৈরি হয়, তেমন বিনোদনের আধুনিক উপাদানও এই লোক উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে ।

লোক উৎসবের অঙ্গ হিসেবে এবছর আয়োজন করা হয় বর্ণময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী, গ্রামীণ খেলাধুলা, আলোচনা সভা ,শিশুস্বাস্থ্য শিবির, লোকসংগীত, লোকনৃত্য,বাউল, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী, কৃষিজ ফসলের প্রদর্শনী, অভি প্রদর্শনী, যোগাসন, ব্রতচারী, জিমনাস্টিক, দড়ি টানাটানি, ফুটবল, ভলিবল প্রতিযোগিতা, আদিবাসী সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে বিশেষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

মেলার মঞ্চ থেকেই মন্ত্রীদের হাত ধরে আদিবাসীদের হাতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ কারীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থানাধীকারিকদের হাতে পুরস্কার হিসেবে ছাগল, হাস, মুরগি, গরু তুলে দেওয়া হয়। মেলার প্রতিটি দিন চলবে নানান ধরনের অনুষ্ঠান। বিভিন্ন মঞ্চে মেলার প্রতিদিন সন্ধ্যায় চলবে নানান ধরনের সাংস্কৃতিক মুলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বাউল,যাত্রা,নাটক সহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান। শুরুতেই মেলা দেখতে মেলার মাঠ প্রাঙ্গণে দর্শকদের ভীর ছিল চোখে পড়ার মতো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।