স্টাফ রিপোর্টার, ব্যারাকপুর: ফের একবার মুকুল রায়কে একহাত নিলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সঙ্গে সুজন চক্রবর্তীকেও আক্রমণ করেন তিনি।

শনিবার বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচীর সূচনা করেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেখানে গিয়ে তিনি মুকুল রায় ও সুজন চক্রবর্তীর সমালোচনা করে বলেন, ”যাদের নিজেদের গায়ে গন্ধ আছে, তারা আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সততা নিয়ে কথা বলেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত কোনও নেতা বা নেত্রী এই মুহূর্তে দেশে নেই।

হাবড়ার হিজলপুকুরে একটি অনুষ্ঠানবাড়িতে এদিন বিকেলে ‘বাংলার গর্ব মমতা’ কর্মসূচীর সূচনা করেন তিনি। সেই কর্মসূচিতে যোগ দেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শেষে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। ‘উন্নয়নের কারিগর’ বলে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলার গর্ব হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

বিধানসভায় বামেদের পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী বা বিজেপি নেতা মুকুল রায় ইতিমধ্যে বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচী নিয়ে সমালোচনা করে বলেছেন, তৃণমূলের সততার প্রতীক বিজ্ঞাপন কি তাহলে উঠে গেল? জবাবে জ্যোতিপ্রিয় এদিন বলেন, ‘সততার লোকের কাছে সততার কথা বলা যায়। মুকুল রায় তো আগে আমাদের দলে ছিলেন। ওর গায়ে গন্ধ আছে। সুজনবাবুরও অতীতের গন্ধ আছে। নিজেদের গন্ধ ঢাকার জন্য ওরা মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করছেন। ওঁরা কেউ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমকক্ষ নয়।’

এদিন তিনি মান্নান, সুজন, মুকুলদের পিঁপড়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন। জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘পিঁপড়ের সঙ্গে হাতির তুলনা হয় না। পিঁপড়ের সঙ্গে পিঁপড়ের তুলনা হয়। কাঠপিঁপড়ের তুলনা হয়। হাতির তুলনা হয় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে লড়াই করার মতো নেতা গোটা দেশে কেউ নেই।’

এদিন বাংলার গর্ব কর্মসূচিতে হাবড়া শহরের ২৪টি ওয়ার্ড থেকে ২৫০ জন কর্মী উপস্থিত ছিলেন। দলের পক্ষ থেকে ওই কর্মীদের নিয়ে একটি সোশ্যাল মিডিয়ার গ্রুপ করা হয়েছে। সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগ বাড়াতে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প