প্রতীতি ঘোষ, বারাসাত: ‘বিজেপি ভয়ংকর দল। যিনি গেছেন, তাঁর মিছিলে ক্রমশ লোক কমতে শুরু করেছে। আগামীদিনে যারা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের কেঁদে-কেঁদে কপাল চাপড়াতে হবে ।

ভোটের মুখে ফের নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতের বিদ্যাসাগর মঞ্চে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন,”বিজেপি একটি বিভৎস ভয়ংকর দল। বিজেপির যে মিছিলে লোক হচ্ছে না, সেখানেই ওরা গণ্ডগোল করছে। বোমা বা পটকা ফাটিয়ে প্রেসের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। ওদের পরাজয় নিশ্চিত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো বিকল্প নেই ।”

এদিকে সামনেই বিধানসভা ভোট। আর এই ভোটের আগে একের পর এক বেসুরো তৃণমূল বিধায়ক। গত কয়েকদিন আগেই দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বুধবার সকালে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। তালিকায় আরও রয়েছে! নাম না করে সবার জন্যে বিজেপির দরজা খোলা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন শুভেন্দুর অধিকারী।

উল্লেখ্য, বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের পর হুগলির চন্দননগরে জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমে তালডাঙা মোড় থেকে সার্কাস ময়দান পর্যন্ত পদযাত্রা ছিল। শুভেন্দুর এই মিছিলে প্রায় কয়েক হাজার মানুষের ভিড় ছিল। কৃষক সুরক্ষা অভিযানের নামে এই কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি। পদযাত্রা শেষে জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই এহেন মন্তব্য শুভেন্দুর।

সভা থেকে এদিন সমস্ত বেসুরো তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন, তৃণমূল পাইভেট কোম্পানিতে থাকতে হলে কর্মচারী হয়েই থেকে যেতে হবে। তবে সহযোদ্ধা কিংবা সহকর্মী হিসাবে যদি থাকতে চান তাহলে অবশ্যই বিজেপিতে আসুন। তবে রাজীব কিংবা প্রবীর ঘোষালরা বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা সেই বিষয়ে কিছু স্পষ্ট ভাবে জানাননি নন্দীগ্রামের প্রাক্তন এই বিধায়ক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.