হাবড়া: নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার নামে বনগাঁয় ২০০ টাকায় ফর্ম বিলি করছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা, এমনই অভিযোগ খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আরও অভিযোগ, `বিজেপির নেতারা নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে ফর্ম বিলি করছেন। ফর্ম বিলি করে লক্ষ-লক্ষ টাকা তুলেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা।`

মঙ্গলবার হাবড়ায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা শুরু করেই বিজেপির বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগতে শুরু করেন জেলা তৃণমূলের এই শীর্ষ নেতা। নাগরিকত্ব আইন তৈরির পর থেকেই বনগাঁর একশ্রেণির বিজেপি নেতা-কর্মীর টাকা রোজগার বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। একইসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র নিশানায় বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরও। শান্তনুর নেতৃত্বেই বিজেপি নেতা-কর্মীরা নাগরিকত্ব দেওয়ার ফর্ম বিলির নামে লক্ষ-লক্ষ টাকা তুলছেন বলে অভিযোগ জেলা তৃণমূল সভাপতির।

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অভিযোগ, ‘বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরে নেতৃত্বে বিজেপি নেতা ও কর্মীরা দুশো টাকার বিনিময়ে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে অবৈধভাবে একটি ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছেন। আর এভাবেই কোটি-কোটি টাকা পকেটে পুরছেন বিজেপি নেতারা। শুধু তাই নয় নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য দিল্লি নিয়ে যাওয়ার কথা বলেও সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে বলে অভিযোগ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। এটা বিজেপির একটা নতুন ব্যবসা শুরু হয়েছে।’

একইসঙ্গে বনগাঁর ওই দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসতেই পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে এদিন জানান খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পুলিশকে বলেছি যারা টাকা নিয়ে নাগরিকত্ব দেবে বলে ফর্ম বিলি করছে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। ভারতের নাগরিকত্ব এতো সস্তা হয়ে গেছে যে সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ২০০ টাকার বিনিময়ে নাগরিকত্ব দিয়ে দেবেন।’

এরই পাশাপাশি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আরও বলেন, ‘নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি নিয়ে মানুষ আতঙ্কিত। কাউকেই রাজ্য থেকে তাড়াতে দেব না। রাজ্য সরকার বাংলায় নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি কার্যকর করবে না।’
এছাড়াও এদিন বিজেপিরও কড়া সমালোচনা করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, ‘বিজেপি বাংলায় দিনে দিনে পিছিয়ে পড়ছে। যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন তাঁরা আবার একে একে আমাদের দলে ফিরে আসছেন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.