হাবড়া: আবারও খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নিশানায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। হাবড়ায় দলীয় কর্মূচিতে যোগ দিয়ে দিলীপ ঘোষকে বেনজির আক্রমণ উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতির। দিলীপ ঘোষের মাথার চিকিৎসা করানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

করোনা আবহেও ২০২১ যত এগোচ্ছে রাজ্যে রাজনীতির পারদ ততই চড়ছে। শাসক-বিরোধী দু’পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে সরব হচ্ছে। হাবড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেখানেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘দিলীপকে নিয়ে কী আর বলব। মস্তানের মতো আচরণ করেন। দিল্লি নিয়ে গিয়ে ওঁর মাথার চিকিৎসা করানো প্রয়োজন।’ ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে আবারও রাজ্যে ক্ষমতায় ফেরার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূলের অন্যতম এই নেতা। তাঁর কথায়, ‘বিজেপির সব অন্যায়ের জবাব দেবেন মানুষ।’

হাসপাতাল সংস্কৃতির তুলনায় দেশে মন্দির সংস্কৃতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। সদ্য অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর অনুষ্ঠান নিয়ে বলতে গিয়ে সম্প্রতি ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে সাংবাদিকদের এই মতামত জানান দিলীপ ঘোষ।

যা নিয়ে বিতর্ক ছড়ায়। করোনা গোটা দেশে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এই সময়েও হাসপাতাল তৈরির প্রয়োজনীয়তাকে খাটো করে দেখানোয় দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে অনেকেই মুখ খোলেন।

বিধানসভা ভোট রাজ্যে যত এগোচ্ছে ততই রাজনৈতিক আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ চলছে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে কোনও দলই প্রকাশ্যে জমায়েত করে কর্মসূচি পালন করতে পারছে না। দলীয়স্তরে বিভিন্ন বৈঠক সারতে হচ্ছে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতেও।

রাজনৈতিক দলগুলির নিচুস্তরেও করোনা আবহে ভর্চুয়া পদ্ধতিতে বৈঠক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। জমায়েত এড়িয়ে সহজেই মতের আদান-প্রদান করতে পারছেন নেতারা। এর ফলে একদিকে করোনা রুখতে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে, আবার রাজনৈতিক প্রয়োজনে নেতা-কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর কাজও হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা