বনগাঁ: আবারও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নিশানায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দিলীপকে তুলোধনা করেন জ্যোতিপ্রিয়। বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে হঁশিয়ারি দিয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘‘মেরে দেব, শ্মশানে পাঠাব, এসব বললে পাল্টা হবে’’।

বিধানসভা ভোট যত এগোচ্ছে রাজ্যের নির্বাচনী উত্তাপ ততই বাড়ছে। একদিকে ‘উন্নয়ন’-কে হাতিয়ার করে ক্ষমতায় টিকে থাকার লড়াই তৃণমূলের। অন্যদিকে, শাসকদলের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ এনে ভোট-ময়দানে বিজেপি।

একুশের ভোটে বাংলায় ফের একবার পরিবর্তনের ডাক গেরুয়া শিবিরের। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরকার-বিরোধী স্বর চড়া করার চেষ্টায় পদ্ম-ব্রিগেড।

জেলায়-জেলায় নির্বাচনী তৎপরতা তুঙ্গে। রাজ্য নেতারা তো বটেই বিধানসভা ভোটের মুখে নিয়ম করে রাজ্যে আসতে শুরু করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারাও। শহর কলকাতা ছুঁয়ে জেলা সফরে বেড়িয়ে পড়ছেন তাঁরা। ছোট-ছোট কর্মিসভা করে দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও চাঙ্গা করতে তৎপরতা নেওয়া হচ্ছে। একুশের নির্বাচনী ময়দানে বাম-কংগ্রেসও। নিজেদের মতো করে কর্মসূচি সাজিয়ে ভোটের লড়াইয়ে ঘুটি সাজাচ্ছে এই দুই দল।

এদিকে, নির্বাচন এগোতেই রাজনৈতিক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে সরগরম বাংলা। বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে তুলোধনা করলেন তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

দিলীপ ঘোষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘‘মেরে দেব, শ্মশানে পাঠাব, এসব বললে পাল্টা হবে। এমন মার দেব, শিক্ষা পাবে বিজেপি।’’ বনগাঁয় তৃণমূলের বাইক মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েই এই মন্তব্য করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

একইসঙ্গে দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন, ‘‘একতরফাভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। বিজেপি ভাবছে ওদের রাজ্য সভাপতি তৃণমূল কর্মীদের মারবেন, গুলি করেবেন। এটা হবে না। আমরা গুলি করা, রক্তপাতের কথা বলি না। তবে বিজেপি মার দিলে পাল্টা মার আমরাও দেব।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.