উত্তর ২৪ পরগনা : সংখ্যালঘু মহিলাদের ভয় দেখাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই অভিযোগ করে বিক্ষোভ দেখালেন রাজ্যের বিদায়ী খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বৃহস্পতিবার ভোটের সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা। এ পরিস্থিতিতে উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত হাবড়ায় সকালে উত্তেজনা ছিল। বিজেপির বিরুদ্ধে হাবড়ায় বুথ দখলের অভিযোগ করেন তৃণমূল প্রার্থী ও রাজ্যের বিদায়ী খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সংখ্যালঘু মহিলা ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তিনি তোলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত জওয়ানদের সঙ্গে মন্ত্রী জড়িয়ে পড়েন বিতর্কে। এই সময় বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভও দেখান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকেই হাবড়ার বিভিন্ন বুথ থেকে অশান্তির খবর আসতে হাতে। কোথাও ভোটারদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে, কোথাও আবার ভোটারদের প্রভাবিত করার মতো অভিযোগ ওঠে। আর এই পুরো অভিযোগই ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। এদিন হাবড়া বিধানসভার নারায়ণপুর স্কুলের বুথের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ভোটারদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছিলেন, এমন অভিযোগও ওঠে তৃণমূলের তরফে। সংখ্যালঘু মহিলা ভোটারদের ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগ ওঠে জওয়ানদের বিরুদ্ধে। এই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান হাবড়ার তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে সরাসরি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন । এই সময় বেশ কিছুক্ষণ রাস্তা আটকে বিক্ষোভও দেখান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শেষে ক্রেন্দ্রিয় বাহিনীর আধিকারিকরা ম্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তারা মন্ত্রী ও হাবড়ার তৃণমূল প্রার্থীকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে মহিলা পুলিশ মহিলা ভোটারদের বুথে নিয়ে আসবেন।

এই ঘটনা চলার কিছুক্ষণের মধ্যেই হাবড়ার ঘোষপাড়া এলাকায় তৃণমূলের তরফে বিজেপি-র বিরুদ্ধে একটি বুথ দখলের অভিযোগ করা হয় । ওই এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতে বহিরাগতরা আশ্রয় নিয়েছে বলে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়। এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। নিজেই ওই বাড়িতে ঢুকে বেশ কয়েকজনকে বের করে আনেন। এই নিয়ে দ্বিতীয় দফায় আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়বাবুর বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থল থেকেই জ্যোতিপ্রিয়বাবু ফোন করে হাবড়া থানায় যোগাযোগ করেন। এর বেশ কিছুক্ষণ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এবিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ নাজিয়েছে তৃণমূল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.