চণ্ডীগড়: অনেক সময়েই অনেক দামি হোটেলে অনেক দামি খাবার দেখে আমরা চমকে যাই। এমনকি জলের বোতলের দামও হয়ে যায় আকাশ ছোঁয়া। তবে রাহুল বোস কিন্তু পাঁচতারা হোটেলের গাঁটের কড়ি খসিয়েই ছাড়লেন।

হোটেলে কলার বিল হয়েছিল ৪৪২ টাকা। যা দেখে চমকে গিয়েছিলেন অভিনেতা রাহুল বোস। তিনি ভিডিও পোস্ট করে সেই বিল দেখানোর পরই হইচই শুরু হবে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরপর হোটেলের বিরুদ্ধে জিএসটি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

চণ্ডীগড়ের শুল্ক বিভাগের ডেপুটি কমিশনার ও ট্যাক্সেশন কমিশনার মনদীপ সিং ব্রার অবৈধভাবে জিএসটি নেওয়ার জন্য JW Marriott হোটেলের বিরুদ্ধে তদন্ত করেন। দুটি কলার দাম কেন ৪৪২ টাকা নেওয়া হল, তা তদন্ত করে দেখা হয়।

শনিবার শুল্ক ও কর বিভাগের তরফ থেকে ২৫০০০ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে ওই হোটেলের জন্য। অবৈধভাবে কর নেওয়ার জন্য শাস্তিস্বরূপ এই জরিমানা ধার্য করা হয়েছে।

মনদীপ সিং ব্রার অভিনেতার পোস্ট করা ভিডিও দেখেই তদন্তের নির্দেশ দেন। কীভাবে ওই হোটেল জিএসটি নিল, সেটাই খতিয়ে দেখা হয়। পাশাপাশি অন্য কোন কোন খাবারে এই হোটেল অবৈধভাবে জিএসটি নিচ্ছে, সেটাও দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কয়েকদিন আগে, রাহুল ট্যুইটারে একটি ভিডিও আপলোড করেন। সেখানে জানিয়েছেন যে চণ্ডীগড়ের এক পাঁচতারা হোটেলে রয়েছেন তিনি। দারুণ স্যুট। সেই স্যুটের ছবিও দেখালেন তিনি। খুব সুন্দর করে সাজানো। তবে বিপাকে পড়েছেন কলা অর্ডার করে। দুটো কলা দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে বিল। যা দেখে একেবারে হতবাক তিনি। কলার দাম ৪৪২ টাকা।

বিলে লেখা আছে ফুড প্ল্যাটার। যার আসল দাম ৩৭৫ টাকা। আর ৩৩ টাকা করে দুটি জিএসটি। সব মিলিয়ে কলা দুটি যাকে বলে একেবারে মহামূল্যবান।

ট্যুইটারে সেই ভিডিও দেখে চমকে উঠেছেন অনেকেই। কেউ লিখেছেন, কলার যদি এই দাম হয়, ব্যানানা এক খেতে তো আইফোনের সমান দাম দিতে হবে।

কেউ আবার হিসেব কষে বলেছেন, তাহলে এক ডজন কলার দাম হবে ২৭০০ টাকা।

এদিকে, তাজ হোটেল আবার ম্যারিয়টকে কটাক্ষ করে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তাদের দাবি, তারা ফ্রি-তেই ফল খাওয়াবে অতিথিদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।