তুরিন: ঘরের মাঠে বড়সড় লজ্জার হাত থেকে রক্ষা পেল জুভেন্তাস। পাউলো দিবালা পরিত্রাতা হয়ে দেখা না দিলে তুরিনে অঘটনের শিকার হতে হতো ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের।

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে লোকোমোটিভ মস্কোর মুখোমুখি হয়েছিল জুভেন্তাস। প্রথমার্ধে গোল খেয়ে কার্যত হারতে বসেছিল ওল্ড লেডি। শেষবেলায় দু’মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করে জুভেন্তাসের জয় নিশ্চিত করেন আর্জেন্তাইন তারকা।

উত্তেজক এই জয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন কোচ মাউরিজিও সারি। হারলে নকআউটের রাস্তা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দেখা দিত রোনাল্ডোদের সামনে। শেষমেশ জয় তুলে নেওয়ায় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন লিগের নকআউটে যাওয়ার পথ সুগম করল জুভেন্তাস।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ও লিওনার্দো বনুচ্চি প্রথমার্ধে গোল করার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। ম্যাচের ১৬, ১৯ ও ২২ মিনিটে তিনবার লোকোমোটিভের বক্সে আতঙ্ক তৈরি করেছিলেন সিআর সেভেন। যদিও ফিনিশিং টাচ দিতে ব্যর্থ হন তিনি। ২৯ মিনিটে লিওনার্দো গোলের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন।

জুভেন্তাসের এমন সুযোগ নষ্টের প্রদর্শনীর মাঝেই ৩০ মিনিটের মাথায় আলেক্সি মিরানচুক বাঁ-পায়ের দুরন্ত ভলিতে জুভেন্তাসের জালে বল জড়িয়ে দেন এবং অতিথি দলকে এগিয়ে দেন ১ গোলে। ৪১ মিনিটে লোকোমোটিভের গোলমুখ খুলে ফেলেছিল জুভেন্তাস। তবে রেফারি ফাউলের বাঁশি বাজিয়ে গোল বাতিল ঘোষণা করেন। ফলে প্রথমার্ধে আর ম্যাচে সমতা ফেরানো সম্ভব হয়নি জুভেন্তাসের পক্ষে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই খেদিরার পরিবর্তে হিগুয়াইনকে মাঠে নামান সারি। এই পরিবর্তন ফলপ্রসূ হয়ে দেখা দেয়। জুভেন্তাসের
আক্রমণের তীব্রতা বাড়ে দ্বিতীয়ার্ধে। ৭৩ ও ৭৫ মিনিটে লোকোমোটিভের রক্ষণকে ত্রস্ত করে তোলেন হিগুয়াইন। রক্ষণের বাঁধন নষ্ট হতেই ৭৭ মিনিটে গোল করে জুভেন্তাসকে সমতায় ফেরান দিবালা। কুয়াদ্রাদোর পাস থেকে ম্যাচে জুভেন্তাসের হয়ে সমতাসূচক গোল করেন দিবালা।

দু’মিনিট পরেই লোকোমোটিভের জালে দ্বিতীয়বার বল জড়ান দিবালা। ৭৯ মিনিটের এই গোলেই জয় নিশ্চিত করে জুভেন্তাস। এই জয়ের সুবাদে তিন ম্যাচে জুভেন্তাসের পয়েন্ট দাঁড়ায় ৭। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদও তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। তবে গোল পার্থক্যে অ্যাটলেটিকোকে পিছনে ফেলে দেয় জুভেন্তাস।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ