নয়াদিল্লি: ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে করমর্দন হোক, বা ভারতীয় পোশাকে আরতি করা, সবেতেই হটকে তিনি৷ কানাডার দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই৷

জাস্টিন ট্রুডোর অনেক বিশেষণ রয়েছে। ‘হ্যান্ডসাম’, ‘মোস্ট অ্যাট্র্যাকটিভ’, ‘ফ্যাশনেবল’— প্রাইম মিনিস্টার। সুদর্শন, হাস্যোজ্জ্বল, সুবক্তা হিসেবেই নয়, আলোচনায় এসেছেন সিরিয়া ও ইরাক থেকে কানাডার যুদ্ধবিমান প্রত্যাহার, সিরিয়া ও তুরস্কের শরণার্থীদের আশ্রয় প্রদান করে। তারুণ্যের উচ্ছ্বাস তাকে করেছে সবার থেকে আলাদা। কখনো নেচে, কখনো যোগব্যায়াম করে, কখনো বক্সিং ম্যাচে নেমে নজর কেড়েছেন তিনি। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছেন নয় বছর পর কানাডায় কনজারভেটিভদের হারিয়ে লিবারেল পার্টিকে ক্ষমতায় এনে।

সেই ট্রুডো এবার ভারতে৷ সঙ্গে পরিবার৷ ২৫ তারিখ পর্যন্ত তিনি ভারতে থাকবেন। বিনিয়োগ ও বাণিজ্যসহ দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা করতেই কানাডার প্রধানমন্ত্রীর এই সফর। কানাডার সংবাদমাধ্যম সিটিভি নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এই সফরে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন দৃঢ় করতে বেশ কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেবেন ট্রুডো। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো ভারতে সফর করছেন তিনি।

ভারত পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা আগে দেওয়া টুইটার পোস্টে ট্রুডো লিখেছেন, ব্যস্ততম ভারত সফর শুরু হলো। তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশের জনগণের নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুই দেশের মানুষের গভীর সম্পর্ককে আরও নিবিড় করাই এই সফরের উদ্দেশ্য। পোস্টের সঙ্গে দেওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, ট্রুডোর সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী সোফি গ্রেগরি ট্রুডো ও তাদের তিন সন্তান জেভিয়ার, এলা গ্রেস, ও হাদরিয়েনকে। বিদেশমন্ত্রী ক্রিশ্চিয়া ফ্রিল্যান্ড, বিজ্ঞান ও অর্থনৈতির উন্নয়ন মন্ত্রী নভদীপ বাইন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হরজিত সিং সজ্জন, ক্রীড়া মন্ত্রী কৃসটি ডানকান ও পরিকাঠামো মন্ত্রী অমরজিত সোহি৷

এছাড়াও থাকবেন বেশ কয়েকজন ভারতীয়-কানাডিয়ান আইন প্রণেতা। এই সফরে ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে ট্রুডোর নেতৃত্বাধীন কানাডার প্রতিনিধি দলের। রাষ্ট্রপতি ভবনে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে বলে জানা গেছে।

ভারত সফরে ট্রুডো যাবেন তাজমহল দেখতে৷ তাঁর সফরসূচিতে রয়েছে অক্ষরধাম মন্দির ও সবরমতি আশ্রম দর্শনও৷ ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে তার ভালোলাগার গল্প এখন আর কারোই অজানা নেই। ত্রিনিদাদে গিয়ে ভারতীয় উৎসব সংগীতে নেচেছিলেন তিনি। ভারত সফর শুরুর আগের মুহূর্তের ছবি দেওয়া এক টুইটার পোস্টে এই বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন ট্রুডো নিজেই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।