নয়াদিল্লি: অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের নায়ক তিনি৷ গাব্বায় ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ভারতকে ইতিহাসে পৌঁছে দিয়েছিলেন ঋষভ পন্ত৷ ম্যাচ জেতাতেই গাব্বায় ব্যাট হাতে নেমেছিলেন বলেন জানালেন দিল্লির এই তরুণ তুর্কি৷

ব্রিসবেন টেস্ট জিতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টানা দ্বিতীয়বার সিরিজ জিতে নজির গড়েছে টিম ইন্ডিয়া৷ গাব্বায় ৩২৮ রান তাড়া করে তিন উইকেটে ম্যাচ জিতে একাধিক নজির গড়ে ভারত৷ যার নেপথ্যে ছিলেন পন্ত, শুভমন গিল এবং মহম্মদ সিরাজের মতো তরুণ তুর্কিরা৷

তবে গত এক সপ্তাহ ধরে বিশ্বক্রিকেটে সবচেয়ে চর্চিত নাম পন্ত৷ গাব্বায় শক্তিশালী অজি বোলিংয়ের বিরুদ্ধে ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে রেকর্ড রান তাড়া করে ভারতকে জেতান টিম ইন্ডিয়ার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷ ওপেনিংয়ে গিলের ৯১ রানের দু:সাহসিক ইনিংসের পর পন্তের আক্রমণাত্মক ইনিংসে গাব্বায় অজিদের ৩২ বছরের টেস্ট না-হারার রেকর্ড ভেঙে যায়৷ ম্যাচের সেরা পুরস্কারও জিতে নেন পন্ত৷

স্পোর্টস টুডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকার পন্ত বলেন, ‘স্বাভাবিক খেলাটা খেলতেই মাঠে নেমেছিলাম৷ প্রথম ইনিংসে টিম ম্যানেজমেন্টের তরফে এমনই বার্তা দেওয়া হয়েছিল৷ ক্রিজে থেকে লুজ বলে রান করো৷ টিম ম্যানেজমেন্ট শুরু থেকেই বলেছিল, দেখা যাক জিততে পারি কি না৷ আমি সবসময় জেতার জন্যই মাঠে নামি৷ ড্র করা আমার কাছে দ্বিতীয় অপশন৷’

ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়া শেষ টেস্ট হেরেছিল ১৯৮৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে৷ শুধু তাই, এদিন গাব্বায় সর্বাধিক ২৩৬ রান তাড়া করে টেস্ট নজির ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের৷ ভারতের তরুণ তুর্কিরা ক্যারিবিয়ানদের ছাপিয়ে সর্বাধিক ৩২৮ রানের তাড়া করার নজির স্থাপন করেন৷

ম্যাচের ৩ ওভার বাকি থাকতেই জোস হ্যাজেলউডকে বাউন্ডারি মেরে জয়সূচক রান করেন পন্ত৷ সেই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চার টেস্টের সিরিজ ২-১ জিতে নেয় ভারত৷ এই জয়ের ফলে বর্ডার-গাভাস্কর ট্রফি ধরে রাখে টিম ইন্ডিয়া৷ ২০১৮-১৯ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট জিতেছিল ভারত৷ সেবার বিরাট কোহলি সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন৷ কিন্তু এবার বিরাটের অনুপস্থিতিতে ভারতকে সিরিজ জেতানে অজিঙ্ক রাহানে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।