সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর কাছে খুব শীঘ্রই পৌঁছে যাবে অনেক কাগজ। তবে এই কাগজ সেই কাগজ নয় যা তাঁর সরকার দেখতে চাইছে। এমন সব কাগজ যা তাঁকে বিরক্তির মধ্যে ফেলতে পারে। এমন ৫০ হাজার কাগজ পৌঁছে যাবে মোদীর দফতরে। ২৬ জানুয়ারি লালকেল্লা থেকে তাঁর ভাষণের আগেই সেই সমস্ত খামে মোড়া কাগজ পৌঁছে যাবে তাঁর ডেস্কে।

সৌজন্যে আইসা। পশ্চিমবঙ্গের অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন(AISA)-র রাজ্য সভাপতি নীলাশিস বসু জানিয়েছেন , ‘১৭ জানুয়ারী রোহীত ভেমুলার শহীদ দিবস থেকে ৩০ জানুয়ারী গান্ধীজীর হত্যা দিবস পর্যন্ত ‘সংবিধান বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ অভিযানের আহ্বাণ করেছে রাজ্যব্যাপী অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন(AISA) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি। অবিলম্বে CAA-NRC-NPR প্রত্যাহারের দাবীতে ২৬ জানুয়ারী প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে এই রাজ্য থেকে ৫০,০০০ পোস্টকার্ডে লেখা চিঠি প্রধাণমন্ত্রীকে পাঠাবে AISA। দেশ বাঁচাতে, দেশের ধর্মনিরপেক্ষতা, বহুত্ববাদ এবং সংবিধানকে রক্ষা করার স্বার্থে গডসের উত্তরাধীকারীদের বিরুদ্ধে গর্জ উঠবে বাংলার ছাত্র-ছাত্রী সমাজ।’

এদিকে আজ শুক্রবার এনপিআর নিয়ে কেন্দ্রের ডাকা বৈঠকে রাজ্য যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ছাত্র যুবদের রানী রাসমণি রোডের ধর্না মঞ্চ থেকে এই বার্তা আগেই দিয়েছেন তিনি। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে এও বলেছেন , মোদীর রাজ্যের প্রতিনিধিরা ক্ষমতা থাকলে তাঁর সরকার ভেঙে দেখাক।

বুধবার ধর্মতলায় দলের ছাত্র সংগঠনের অবস্থান মঞ্চে উপস্থিত হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এনপিআর নিয়ে ১৭ তারিখ কেন্দ্রীয় সরকার বৈঠক ডেকেছে। আমরা ওই বৈঠকে যাব না। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় দিল্লিতে তুমিও নির্বাচিত সরকার, এখানে আমিও নির্বাচিত।’

রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেন্সাস কমিশনার অফ ইন্ডিয়া’র (আরজিসিসিআই) ডাকে ১৭ জানুয়ারি দিল্লিতে ওই বৈঠকে সব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। সেখানে সেন্সাস নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা। কিন্তু বিষয়টি যেহেতু এনপিআর-এর সঙ্গে একই বন্ধনীতে রাখা হয়েছে তাই মুখ্যমন্ত্রী এ ব্যাপারে কঠোর মনোভাব নিয়েছেন।

নবান্নের সিদ্ধান্ত রাজ্য বৈঠকে যাবে না। কেন্দ্রের দাবি, অধিকাংশ রাজ্যের মুখ্যসচিব ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন। দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে আবার দাবি করা হয়েছে, রাজ্যগুলি লিখিত ভাবে কোনও আপত্তি আরজিসিসিআই-কে জানায়নি।

এদিকে রাসমণি রোডে এই অবস্থানের নতুন সূচি ঠিক করে দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এই অবস্থান চলবে। ২৮, ২৯ ও ৩০ তারিখ তা করবেন আইএনটিটিইউসি। তারপর সরস্বতীপুজো সেরে ফের অবস্থানে ফিরবে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।