খড়গপুর: আজই দিল্লি ফিরে যাবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তার আগে বুধবার সকালে খড়গপুরে দলের ‘চায়ে পে চর্চা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে আবারও তুলোধনা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ নাড্ডার নিশানা থেকে বাদ যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷

গতকাল সন্ধে পর্যন্ত খড়গপুরে বিজেপির ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি প্রশাসন৷ রাতে অনুমতি মেলে৷ আজ সকালে খড়গপুরে কলাইকুণ্ডার কাছে হরিয়াতাড়া গ্রামে দলের এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়৷ নাড্ডা আসবেন শুনে বহু আগে থেকেই এলাকায় বিড় বাড়তে থাকে বিজেপি -কর্মী সমর্থকদের৷ বাড়তি উন্মাদনা নিয়ে খড়গপুরের বিভিন্ন প্রান্ত তো বটেই এমনকী খড়গপুরের বাইরে থেকেও দলের বহু কর্মী-সমর্থক যোগ দিয়েছিলেন এই কর্মসূচিতে৷

এদিন ‘চায়ে পে চর্চা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ফের তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিয়েছেন নাড্ডা৷ কটাক্ষ শানিয়েছেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও৷ এদিন প্রথমেই এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন জেপি নাড্ডা৷ এলাকার বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গেও কথা হয়েছে নাড্ডার৷ তিনি বলেন, ‘চায়ে পে চর্চা কর্মসূচির জন্য গতকাল রাতে আমাকে প্রশাসন অনুমতি দিয়েছে৷ এত মানুষকে একসঙ্গে দেখে আমি অভিভূত।’

সাধারণ মানুষের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলার পরেই এদিন ফের নাড্ডার নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি বলেন, ‘পিসি-ভাইপোর গুণ্ডামি চলছে রাজ্যে৷ এবারের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চলে যেতে হবে৷ মা-মাটি-মানুষের সরকারকে মানুষ বিশ্বাস করে ঠকেছে৷ তৃণমূলের গুণ্ডামি, তোলাবাজিতে মানুষ অতিষ্ট৷ রাজ্যবাসীর জন্য কিছু করেনি এই সরকার৷’

এরই পাশাপাশি আয়ুস্মান ভারত প্রকল্প এরাজ্যে চালু না হওয়া নিয়েও এদিন মুখ্যমন্ত্রী রকড়া সমালোচনা করেছেন নাড্ডা৷ রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার এলেই আয়ুস্মান ভারত প্রকল্প বাংলায় চালু হবে বলে এদিন আশ্বাস দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.