স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বাগবাজার ঘাটে তর্পণে পুলিশের বাধা পেয়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুমকি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে গঙ্গার পাড়ে তর্পণের লাইন লেগে যাবে তৃণমূলের।

৩ নম্বর কল্যাণী শহর মণ্ডলের পক্ষ থেকে ‘আর নয় অন্যায়’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে কল্যাণীর ঘোষপাড়ায় এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বাগবাজারে আমাদের সিনিয়র লিডাররা তর্পণ করতে গিয়েছিলেন। সেই তর্পণে বাধা দিয়েছে। বড্ড বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু। মনে রাখবেন, আগামী মে মাসে বিধানসভা ভোটের ফল বের হবে। আর জুন মাসে আমরা বিজেপি সরকার গঠন করব। যদি বাড়াবাড়ি করতে থাকেন, তা হলে দেখবেন গঙ্গার পাড়ে লাইন লেগে গিয়েছে আপনাদের তর্পণ করার জন্য। তাই বলছি, এখন থেকে শুধরে যান। আমাদের কোনও রকম উত্তেজিত করবেন না।”

তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছে। তাদের দেখলে কটু কথা বলে আমজনতা। বিজেপি সরকার গঠন করার পর পুলিশ-প্রশাসনের চেহারাই পাল্টে যাবে।”

মহালয়ার সকালে তপর্ণ সেরে একই সুরে পুলিশকে হুমকি দিয়েছেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলছেন, “যাঁরা তপর্ণের মঞ্চ খুলেছে, তাঁদের উর্দি খুলে নেব।”

প্রসঙ্গত, গত বছরের মতো এবছরও মহালয়ায় ‘শহিদ’ দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তর্পণ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। তর্পণের জন্য নির্ধারিত দিনে একদিন আগে বাগবাজার ঘাটে মুকুল রায় ও কৈলাশ বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে এই কর্মসূচির পালনের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এই উদ্যোগ নিয়ে কিছুটা হলেও জটিলতা তৈরি হয়।

বাগবাজার ঘাটে তর্পণের জন্য বাঁধা মঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ। প্রচুর পুলিশও মোতায়েন করা হয়। বাগবাজার ঘাটে বাধা পেয়ে কৌশল বদলান কৈলাশ-মুকুলরা। তাঁরা পথ পরিবর্তন করে চলে যান গোলাবাড়ি ঘাটে। সেখানে সমস্ত শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘাটে বসে শহিদ-তর্পণ করেন মুকুল রায়-কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।

বুধবার গোলাবাড়ি ঘাটে তর্পণ সেরে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। তিনি বলেছেন, “রাজ্যের ৭০ শতাংশ মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এটা রাজ্যের ৩০ শতাংশ মানুষের সরকার।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.