বর্ধমান: স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশের পাশাপাশি করোনা-যুদ্ধে তাঁদেরই সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন সাংবাদিকরাও। প্রতি মুহূর্তে হাসপাতাল বা প্রকাশ্য কোনও জায়গায় খবর সংগ্রহে ছুটে যেতে হচ্ছে সাংবাদিকদের। তাই তাঁদেরও করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। সেই কারণেই এবার পূর্ব বর্ধমানের সাংবাদিকদের করোনা পরীক্ষা করা হল। ইতিমধ্যেই জেলার ৩৭ সাংবাদিকের লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে।

দেশের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি বাংলাতেও ক্রমেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। বাংলায় করোনা আক্রান্তের থেকে সুস্থের সংখ্যা বেশি। প্রতিদিনই যত আক্রান্ত হচ্ছে, তার থেকে বেশি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। বুধবার, রাজ্য সরকারের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী রাজ্যে নতুন করে ৪৪৫ জন সুস্থ হয়ে ওঠার খবর মেলে।

মোট আক্রান্তের সংখ্যা বুধবারের হিসেব অনুযায়ী ১৫,১৭৩। তবে সেদিনের হিসেবে রাজ্যে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা কমে হয় ৪৮৮০ জন। রাজ্য সরকারের দেওয়া শেষ বুলেটিন অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৫৯১।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দেড়শোর কাছাকাছি পৌঁছেছে। প্রতিদিনই জেলায় করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলছে। জেলাজুড়ে খবর সংগ্রহের তাগিদে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন সাংবাদিকরা।

প্রতি মুহূর্তে দিতে হচ্ছে আপডেট। সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিকদের কাজের প্রয়োজনে প্রতিদিনই জনবহুল এলাকায় যেতে হচ্ছে। কন্টেনমেন্ট জোনে গিয়েও খবর সংগ্রহ করছেন সাংবাদিকরা।

এছাড়াও হাসপাতাল, পরিযায়ী শ্রমিকদের খবর সংগ্রহে যাচ্ছেন সাংবাদিকরা। এরই পাশাপাশি পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গেও প্রতি মুহূর্তে যোগাযোগ করতে হচ্ছে সাংবাদিকদের।

এভাবে তাঁদেরও করোনায় সংক্রমিত হওয়ার আঙ্কা বাড়ছে। সেই কারণেই পূর্ব বর্ধমান জেলার ৩৭ সাংবাদিকের করোনা পরীক্ষা করানো হয়েছে। সাংবাদিকদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যদিও সেই রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ