রোম: চাকরি যাওয়ার দু’ সপ্তাহের মধ্যেই কাজ পেয়ে গেলেন হোসে মোরিনহো৷ মঙ্গলবার কিংবদন্তি এই কোচকে প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্ত করল ইতালিয়ান সিরি-এ ক্লাব এএস রোমা৷ চলতি মরশুমে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করবেন বিচক্ষণ এই পর্তুগিজ কোচ৷

দু’ সপ্তাহ আগে ম্যানেজার হোসে মোরিনহোকে ছেঁটে ফেলে টটেনহ্যাম হটস্পর৷ ইংলিশ প্রিমিয়র লিগের ক্লাবটির কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার ১৭ মাসের মাথায় চাকরি হারান মোরিনিহো। কারাবাও কাপের ফাইনালে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি’র বিরুদ্ধে খেলতে নামার ঠিক আগে মোরিনহোকে বরখাস্ত করেছিল টটেনহ্যাম৷ ১৫ দিনের মাথায় নতুন ক্লাব ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন পর্তুগিজ কোচ৷

মঙ্গলবার এক বিবৃতিত AS Roma ক্লাবের তরফে জানানো হয়, ‘ক্লাব মোরিনহোকে ম্যানেজার হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বসিত ক্লাব৷ ২০২১-২২ মরশুমে ক্লাবের প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলাবেন হোসে মোরিনহো৷’ পাওলো ফনসেকা দায়িত্ব ছাড়ায় মোরিনহোকে ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ করল এএস রোমা৷ তবে এর আগেও ইতিলিয়ান ক্লাবে কোচিং করিয়েছেন মোরিনহো৷ ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত সফলতার সঙ্গে ইন্টার মিলানে কোচিং করিয়েছিলেন তিনি৷

২১ বছরের কোচিং কেরিয়ারে বহু ক্লাবকে কোচিং করিয়েছেন মোরিনহো৷ ২০০০ সালে বেনফিকা দিয়ে শুরু হয়েছিল তাঁর কোচিং কেরিয়ার৷ তারপর পোর্তো, চেলসি, ইন্টার মিলান, রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের মতো ক্লাবকে কোচিং করিয়েছেন এই পর্তুগিজ কোচ৷ ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর এক বছরের বেশি সময় কোনও দলকে কোচিং করাননি ৫৮ বছরের পর্তুগিজ ম্যানেজার৷ ২০১৯ সালের নভেম্বরে চার বছরের চুক্তিতে টটেনহ্যামের দায়িত্ব নিয়েছিলেন মোরিনহো৷ কিন্তু মাত্র ১৭ মাসের মধ্যেই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল ম্যানজারকে ছেঁটে ফেলে টটেনহ্যাম৷

টটেনহ্যামে চাকরি যাওয়ার দু’ সপ্তাহের মধ্যেই নতুন ক্লাবের দায়িত্ব নিলেন এই পর্তুগিজ ফুটবল ম্যানেজার৷ কিন্তু সোমবার ব্রিটিশ নিউজপেপার The Times-কে তিনি জানিয়েছিলেন আগামী বছরের আগে তিনি কোচিং কেরিয়ারে ফিরছেন না৷ কিন্তু পরের দিনই কোচ হিসেবে ইতালিতে ফিরলেন সদ্য বরখাস্ত হওয়া টটেনহ্যাম কোচ৷ মোরিনহো জানিয়েছিলেন, ‘আমার কোনও প্ল্যান নেই৷ আমি এখন স্বাভাবিক জীবনযাপন করছি৷ ভীষণ শান্তভাবে ছুটি কাটাচ্ছি৷ কাজে ফিরতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.