তেহরান: ইরান, চিন ও রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী চলতি মাসের শেষের দিকে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। এই তিনটি দেশ ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশ অংশ নিতে পারে।

চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একথা ঘোষণা করে। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে- আর্মেনিয়া, বেলারুশ, মায়ানমার ও পাকিস্তান এই মহড়ায় যোগ দেবে। মহড়ার নাম দেওয়া হয়েছে ককেশাস-২০২০।

চিনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যৌথ মহড়া চলবে ২১ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এতে প্রতিরক্ষা কৌশল রপ্ত করার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। এছাড়া, শত্রুপক্ষকে ঘেরাও করা, যুদ্ধক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ ও কমান্ড পরিচালনার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে।

যখন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মোকাবেলায় সারা বিশ্ব হিমশিম খাচ্ছে তখন এ মহড়া অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এজন্য এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে চিনা মন্ত্রণালয়।

মার্কিন সরকারের শত্রুতার মুখে ইরান, চিন ও রাশিয়া গত কয়েক বছর ধরে নিজেদের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করেছে। গতবছর এ তিন দেশ ওমান সাগর ও ভারত মহাসাগরে যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।