কলকাতা : করোনা সংক্রমণের প্রবল দাপটের মধ্যেও সুখবর। কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে তৃতীয় ট্রায়াল হতে চলেছে জনসনের করোনা টিকা এভি ২৬.কোভ ২.এস। পিয়ারলেস হাসপাতাল সূত্রে এই খবর জানা গেছে। জনসনের করোনা টিকার তৃতীয় ট্রায়ালের জন্য ৬টি জায়গা নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে বাইপাসের পিয়ারলেস হাসপাতাল। বিপর্যয়ের মধ্যে কিছু কিছু খবর আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। পিয়ারলেস হাসপাতালে জনসনের করোনা টিকার তৃতীয় ট্রায়াল সত্যি তেমনই একটি সুখবর।

জনসনের করোনা টিকার তৃতীয় ট্রায়াল হবে ১০০ জনের ওপর। ৩:১ আনুপাতিক হারে তিনজনকে টিকা দিলে একজনকে প্লাসিবো দেওয়া হবে। পিয়ারলেস হাসপাতালের তরফে এই খবর জানা গেছে। রাজ্যে এখন করোনা টিকার হাহাকার চলছে} সারা দেশেরই এই এক অবস্থা। তাই পিয়ারলেস হাসপাতালে জনসনের টিকা নিতে চেয়ে বহু মানুষ আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এথিক্স কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পরই জনসনের করোনা টিকার ট্রায়াল শুরু হবে।

অন্য করোনা টিকার চাইতে বেশ কিছু নতুনত্ব রয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন (johnson and johnson corona vaccine) কোম্পানির তৈরি করোনা টিকে। অন্যান্য টিকার মতো এই টিকার দুটো ডোজ দিতে হবে না। একটি ডোজেই করোনা সংক্রমণের প্রতিষেধকের কাজ করবে এই টিকা। জানা গেছে ২০২০ সালের জুলাই মাসে প্রথম একদল হনুমানের উপর এই করোনা প্রতিষেধক টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হয়েছিল। তাতে দেখা যায়, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পেরেছে জনসনের এই টিকা।
তারপরেই আমেরিকা সরকারের অনুমোদন পেয়ে ১ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের উপর প্রাথমিক পর্যায়ে এই টিকার প্রয়োগ শুরু করা হয় । ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা জনসন অ্যান্ড জনসনের দাবি, একটিমাত্র টিকা প্রয়োগ করলেই দীর্ঘ সময়ের জন্য মানবদেহে করোনা ভাইরাস (Corona Virus) সংক্রমণ প্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি হয়ে যাবে। এই টিকা প্রয়োগে আমেরিকায় ৭২ শতাংশ ক্ষেত্রে টিকার কার্যকারিতা প্রমাণ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে । তবে বিশ্বের তিন মহাদেশে পরীক্ষায় জনসনের করোনা টিকার সাফল্যের হার ৬০ শতাংশের চাইতেও বেশি ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.