আমদাবাদ: পিঙ্ক বল টেস্ট জিতে নিতে পারলে ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্ট নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম তারা। আর তাহলেই ভারতের মাটিতে কাঙ্খিত সিরিজ জয় সম্ভব ইংল্যান্ডের। নবনির্মিত মোতেরায় পিঙ্ক বল টেস্ট শুরুর দিনদু’য়েক আগে এমন মন্তব্য করেই সতীর্থদের তাতালেন ইংরেজ ফাস্ট বোলার জোফ্রা আর্চার। এমনিতে দেশের বাইরে পিঙ্ক বল টেস্টে ইংল্যান্ডের রেকর্ড মোটেই আহামরি নয়। এখনও অবধি দেশের বাইরে একটি অস্ট্রেলিয়া এবং একটি নিউজিল্যান্ডে পিঙ্ক বল টেস্ট খেলেছেন রুটরা। কিন্তু দু’টোতেই হার স্বীকার করতে হয়েছে তাদের।

তবে বার্বাডোজজাত ইংরেজ পেসারের ধারণা ভারতের মাটিতে তারা ভাল ফলাফল করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তৃতীয় টেস্টে নামার আগে আর্চার জানিয়েছেন, ‘নিশ্চয় আমরা এখান থেকে সিরিজ জিততে পারি তবে পরবর্তী টেস্টটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। আর সেটা যদি জিততে পারি তাহলে চতুর্থ টেস্ট আমরা অন্তত ড্র রাখতে পারব।’ ইংরেজ পেসার আরও বলেন, ‘দল সবসময় মাঠে নামে জয়ের জন্যই। কিন্তু এক্ষেত্রে পরের ম্যাচটা জিতলে আমরা চালকের আসনে বসে যাব। আর তাহলেই আমি নিশ্চিত শেষ টেস্ট আমরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারব।’

এদিকে মোতেরায় পিঙ্ক বল টেস্ট শুরুর আগে চর্চায় এসজি পিঙ্ক বল। অথচ ইংরেজরা অভ্যস্ত কোকাবুরা কিংবা ডিউক বলে খেলতে। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে তেমন উদ্বেগের কারণ দেখছেন না রাজস্থান রয়্যালস ক্রিকেটার। কারণ আর্চারের কথায় কোকাবুরা বা ডিউকের সঙ্গে এসজি বলের সঙ্গে বিশেষ পার্থক্য নেই। তবে ইংরেজ পেসার জানিয়েছেন, ‘এসজি পিঙ্ক বল তাড়াতাড়ি নোংরা হয়ে যায় বেশি। একটু শক্ত বেশি এবং সহজে চকচক করে না। ফ্লাডলাইটের আলো পড়লে চকচক করে ঠিকই কিন্তু দিনের আলোয় বিশেষ করে না।’

ইংল্যান্ডের সঙ্গে ভারতে পিঙ্ক বল টেস্টের সময়ের তারতম্য থাকায় অর্থাৎ, ভারতের মাটিতে দিন-রাতের পিঙ্ক বল টেস্ট আর্চারের কাছে নয়া অভিজ্ঞতা বলে জানিয়েছেন ইংরেজ পেসার নিজেই। তবে পিচে স্পিনাররাই সুবিধে পাবেন ভেবে আর্চার বলেছেন, ‘আমার মনে হয় ভারতের মাটিতে স্পিনাররা বড় ভূমিকা পালন করে। মনে হয় না অধিনায়কেরা দলের কোনও পেসারের থেকে উপমহাদেশের মাটিতে পাঁচ-ছয় উইকেট আশা করেন বলে। তাই দু থেকে তিন উইকেট পেলেই এখানে পেসারদের কার্যসিদ্ধি হয়ে যায়।’

উল্লেখ্য, দেশের মাটিতে এটি ভারতের দ্বিতীয় পিঙ্ক বল টেস্ট হতে চলেছে। ২০১৯ নভেম্বরে ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম পিঙ্ক বল টেস্ট খেলেছিল ভারতীয় দল। মাত্র আড়াই দিনে সেই ম্যাচে ইনিংস ৪৬ রানে পড়শি দেশকে হারিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।