লন্ডন: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আঙিনায় অভিষেক হয়েছে খুব বেশিদিনের কথা নয়। কিন্তু স্বল্পদিনের অভিজ্ঞতায় ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম কান্ডারি হয়ে উঠেছেন বার্বাডোজ-জাত জোফ্রা আর্চার। বিশ্বকাপ ফাইনালের সুপার ওভারে চাপের প্রেসার কুকারে থেকেও যেভাবে নিজের নার্ভ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন, তাতে মুগ্ধ টেস্ট ক্রিকেটে ইংরেজদের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি জেমস অ্যান্ডারসন।

বছর চব্বিশের তরুণ আর্চার চোটের কারণে লর্ডসে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে অংশ নিতে পারছেন না। কিন্তু আগামী মাসের শুরুতে অ্যাশেজ দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায় জোফ্রা আর্চার। পেশির চোটে আয়ারল্যান্ডে বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্টে অনিশ্চিত অ্যান্ডারসনও। কিন্তু আসন্ন অ্যাশেজের কথা মাথায় রেখে আর্চার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি জানাচ্ছেন, দলে কোনও তরুণ ক্রিকেটার এলে সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে তোমার প্রাথমিক কর্তব্য দলের পরিবেশের সঙ্গে তাঁকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করা এবং খেলার বিষয়ে তাঁকে পূর্ন স্বাধীনতা দেওয়া।

আরও পড়ুন: অ্যাসেজ ট্রফি ধরে রাখল অস্ট্রেলিয়া

টেস্ট ক্রিকেটে জোফ্রা আর্চারের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ৫৭৫ টেস্ট উইকেটের মালিক জানান, ‘ও এখনও খুব বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেনি। কিন্তু ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটার হিসেবে আর্চার একজন অভিজ্ঞ। যা ওকে আগামিদিনে চাপের পরিস্থিতিতেও সেরা ক্রিকেটার হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।’ পাশাপাশি বিশ্বকাপ ফাইনালে সুপার ওভারে আর্চারের ফিনিশ দেখে মুগ্ধ অ্যান্ডারসন জানান, ‘ওই ঘটনা প্রমাণ করে ওর ভবিষ্যৎ কতটা উজ্জ্বল।’

আরও পড়ুন: ধোনির প্রশিক্ষণের বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন, জানাল সেনা

টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি সিমার অ্যান্ডারসন চোট সারিয়ে কেরিয়ারের নবম অ্যাশেজে মাঠে নামার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। চলতি মাসের শেষেই সাঁইত্রিশে পা দেবেন তিনি। সদ্য-সমাপ্ত বিশ্বকাপ ও ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রসঙ্গে স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ল্যাঙ্কাশায়ার বোলার জানিয়েছেন, ‘২০১৯ বিশ্বকাপ বিনোদনের একটা অন্য মাত্রা সেট করে দিয়েছে। সর্বপ্রথম আমি বলতে পারি এই বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুরাগীদের একরাশ বিনোদন উপহার দিয়েছে।’

একইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘বাঁচার রসদ হিসেবে এই বিশ্বকাপ থেকে আমরা অনেক কিছু পেয়েছি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I