ম্যাঞ্চেস্টার: চারদিনের মধ্যে টানা দ্বিতীয়বার রান-আউট হয়ে অযাচিত এক নজিরের পাশে নাম লিখিয়ে ফেললেন ইংরেজ টেস্ট অধিনায়ক জো রুট। দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসের পর শুক্রবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে রান-আউট হয়ে ফিরলেন রুট। আর সেইসঙ্গে ইংরেজ টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশিবার রান-আউট হওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি।

শুক্রবার ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট থেকে রস্টন চেজের থ্রো ক্রিজে পৌঁছনোর আগেই ভেঙে দেয় রুটের উইকেট। ১৭ রানে এদিন প্যাভিলিয়নে ফেরেন ইংরেজ অধিনায়ক। গত ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে ফর্মে থাকা বিধ্বংসী স্টোকসের জন্য কার্যত উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এসেছিলেন রুট। আর এদিনের রান-আউটের সঙ্গে সঙ্গে প্রাক্তন অধিনায়ক আর্চি ম্যাকলারেনকে টপকে থ্রি-লায়ন্স অধিনায়ক হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশিবার রান-আউট হলেন রুট। ভাঙলেন ১১৮ বছরের পুরনো রেকর্ড।

ব্যাটসম্যান হিসেবে রান-আউটের নিরিখে রুট এখন কিংবদন্তি জিওফ্রে বয়কট এবং ম্যাট প্রায়রের ঠিক এক ধাপ পিছনে। টেস্ট ক্রিকেটে এই দুই প্রাক্তন ইংরেজ ব্যাটসম্যান ৭ বার করে রান-আউট হয়েছেন। সেখানে কেরিয়ারে ৯৩টি টেস্টে এখনও অবধি ৬ বার রান আউট হয়েছেন রুট। ৯৩টি টেস্টের পাশাপাশি ২৯ বছরের রুট এখনও অবধি ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে ১৪৬টি ওয়ান-ডে এবং ৩২টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন।

পিতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় করোনা পরবর্তী সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে মাঠে ছিলেন না রুট। তাঁর অনুপস্থিতিতে সাউদাম্পটনে প্রথম টেস্ট জিতে নেয় ক্যারিবিয়ানরা। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দ্বিতীয় টেস্টে রুট ফিরতেই চেনা ছন্দে পাওয়া যায় ইংল্যান্ডকে। দাপটের সঙ্গে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় রুটের ইংল্যান্ড। তৃতীয় টেস্টের প্রথমদিন ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫৮ রান তুলেছে ইংল্যান্ড।

১২২ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর অপরাজিত ১৩৬ রানের পার্টনারশিপে দলকে লড়াইয়ে ফেরান দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ওলি পোপ এবং জোস বাটলার। দিনের শেষে পোপ ৯১ রানে এবং বাটলার ৫৬ রানে নট-আউট রয়েছেন। ৫১ রানে আউট হয়েছেন ওপেনার ররি বার্নস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।