সেন্ট লুসিয়া: ১৪২ রানে পিছিয়ে থেকে সেন্ট লুসিয়ায় তৃতীয় দিনের চতুর্থ ওভারেই জোর ধাক্কা খায় ক্যারিবিয়ানরা। গুরুতর আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন তরুণ অল-রাউন্ডার কিমো পল। ফিল্ডিংয়ের সময় ডান ঊরুতে গুরুতর আঘাত পেয়ে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। জো ডেনলির একটি কভার ড্রাইভ বাঁচাতে গিয়ে বিপদের মুখে পড়েন পল।

নির্বাসিত জেসন হোল্ডারের পরিবর্তে তৃতীয় টেস্টে দলে সুযোগ পাওয়া এই ক্রিকেটারকে মাঠেই প্রাথমিক চিকিৎসার পর পাঠানো হয় হাসপাতালে। এরপর তাঁর চোটের জায়গায় স্ক্যান করা হয় বলে জানানো হয় দলের পক্ষ থেকে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে মাঠে ফিরতে প্রায় সপ্তাহ ছয়েকের মত সময় লাগবে বছর কুড়ির এই ক্রিকেটারের।

এদিকে প্রথম ইনিংসে ১২৩ রানে এগিয়ে থাকার পর তৃতীয়দিন অধিনায়ক রুটের সেঞ্চুরি, জো ডেনলি ও জোস বাটলারের অর্ধশতরানে তৃতীয় টেস্টে জাঁকিয়ে বসল ইংল্যান্ড। আর ইংল্যান্ড অধিনায়কের অধিনায়কোচিত শতরানেই ঘরের মাঠে ইংরেজদের ক্লিন সুইপ স্বপ্ন দেখা থেকে পিছু হটতে থাকল ক্যারিবিয়ানরা। অধিনায়কের পাশাপাশি কেরিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে অভিষেক হাফসেঞ্চুরিতে নজর কাড়লেন ডেনলি। এরপর রুটের সঙ্গে জুটি বেঁধে বাটলারের অর্ধশরানে নিয়মরক্ষার টেস্টে জয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারে ইংল্যান্ড।

তৃতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান চার উইকেটে ৩২৫। ওয়েস্ট ইন্ডিজের থেকে ৪৪৮ রানে এগিয়ে তারা। তৃতীয় দিন ডারেন সামির নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে ডেনলির সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৪৪ রান যোগ করার পর বাটলারের সঙ্গে শতরানের পার্টনারশিপ গড়েন রুট। আর এতেই বড় রানের লক্ষ্যে এগিয়ে যায় ইংরেজরা। ব্যক্তিগত ৬৯ রানে ডেনলি ও ৫৬ রানে বাটলার আউট হলেও দিনের শেষে ১১১ রানে অপরাজিত রুট। বাটলারের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে জুটি বেঁধে অধিনায়ক তোলেন ১০৭ রান। এরইমাঝে টেস্ট ক্রিকেটে ১৬ তম শতরানটি পূর্ণ করে নেন তিনি।

দিনের শেষে রুটের সঙ্গে ২৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন বেন স্টোকস। পঞ্চম উইকেটে তাদের অবিভক্ত ৭১ রানের পার্টনারশিপে জয়ের স্বপ্ন দেখছে ইংল্যান্ড। এরইমধ্যে গ্যাব্রিয়েলের সঙ্গে স্টোকসের মৌখিক তরজা উত্তেজনা ছড়ায়। যাইহোক তৃতীয় দিনের শেষে প্রায় সাড়ে চারশো রানে আগুয়ান ইংল্যান্ড চতুর্থদিন ক্যারিবিয়ানদের কত রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেয়, এখন সেটাই দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।