কলকাতা: ব্যাপক কিছু অঘটন না ঘটলে এসসি ইস্টবেঙ্গলের সপ্তম বিদেশি হতে চলেছেন ইংরেজ স্ত্রাইকার জো গার্নার। ইংল্যান্ডের লিগ ওয়ান ক্লাব উইগান অ্যাথলেটিকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে লাল-হলুদে নাকি পা বাড়িয়েছেন ৩২ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার। স্কাই স্পোর্টসের সাংবাদিক অ্যালান মায়ারস এমনই জোরালো সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। তবে এব্যাপারে সরকারি সিলমোহর এখনও পড়েনি।

কিন্তু যা পরিস্থিতি তাতে খুব শীঘ্রই জো গার্নারকে সপ্তম বিদেশি হিসেবে চূড়ান্ত করে ফেলতে পারে ইস্টবেঙ্গল। স্কাই স্পোর্টস ছাড়াও অন্যান্য একাধিক সূত্রের রিপোর্টে প্রকাশ ভারতের আসছেন অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল জানুয়ারিতে ট্রান্সফার উইন্ডোতে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেবেন রেঞ্জার্স, ওয়াটফোর্ড, নটিংহহ্যাম ফরেস্টে খেলা প্রাক্তন এই ফুটবলার। কিন্তু পরে জানা যায় উইগান অ্যাথলেটিকের কাছে ভারতে আসার জন্য চুক্তি ছিন্ন করার আবেদন জানিয়েছিলেন গার্নার। এমনকি সেই আবেদন মঞ্জুরও করা হয়েছে।

উইগান অ্যাথলেটিকের মুখপত্রে উইগান টুডে’তে জানানো হয়েছে দিনকয়েক আগেই উইগানের সঙ্গে একবছরের চুক্তি পুনর্নবীকরন করেছিলেন গার্নার। কিন্তু সেই চুক্তি ভেঙে গার্নার ভারতে যাচ্ছেন তাঁর দুই প্রাক্তন উইগান সতীর্থ অ্যান্থনি পিলকিংটন এবং ড্যানি ফক্সের সঙ্গে যোগ দিতে। এমনকি তাঁর প্রস্থানে উইগানের আক্রমণভাগ যে কমজোরি হয়ে পড়ল তাও জানানো হয়েছে ইংলিশ ক্লাবের মুখপত্রটিতে। ক্লাব কেরিয়ারে সর্বাধিক প্রেস্টন নর্থ এন্ডের হয়ে খেলেছেন গার্নার। ওই ক্লাবের হয়ে ১২৯ ম্যাচে ৪৯টি গোল রয়েছে তাঁর। ২০১৮ থেকে উইগান অ্যাথলেটিকে ছিলেন গার্নার। সেখানে ৭০ ম্যাচে ১৩ গোল রয়েছে তাঁর নামের পাশে।

ইস্টবেঙ্গলের ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাওয়া দুই বিদেশি পিলকিংটন, ফক্স এবং গার্নার উইগানের প্রথম একাদশে একইসঙ্গে খেলেছেন একটা সময়। সবমিলিয়ে গার্নার যদি ইস্টবেঙ্গলের সপ্তম বিদেশি হিসেবে যোগ দেন, তবে প্রাক্তন সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া গড়ে ওঠার ব্যাপারটি সহজ হতে পারে। এখন দেখার কত তাড়াতাড়ি গার্নারের এদেশে আসার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। যেহেতু খেলার মধ্যে রয়েছেন তাই এদেশে এসে কোয়ারেন্টাইন কাটিয়ে মাঠে নামতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়।

এদিকে ডার্বির আগে আরও তিনটি কো-স্পনসরকে চূড়ান্ত করল ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। টিভি নাইন বাংলা, ওয়াসাবি এবং বিকে টায়ারসের নাম সহকারী স্পনসর হিসেবে ঘোষণ করল লাল-হলুদ। সবকটি স্পনসরের লোগো জার্সিতে ব্যবহার করেই আইএসএলের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I