নয়াদিল্লি: রিপাবলিকান দুর্গ ভেঙে মার্কিন মসনদে বসেছেন ডেমোক্র্যাট জো বাইডেন৷ বলা হচ্ছে, তাঁর এই জয়ের নেপথ্যে ছিল অজ্ঞাত পরিচয় দাতাদের বিপুল পরিমাণ ডোনেশন৷ তাঁরা কারা, তা জানা যায়নি৷

ফলে জো বাইডেনের হোয়াইট হাউজ জয়ের পিছনে কাদের কাদের হাত ছিল সেই তথ্য কোনও দিনই জানতে পারবে না আমআদমি৷

বাইডেনের উইনিং ক্যাম্পেনিং-এর পিছনে ছিল ১৪৫ মিলিয়ন ডলার ডার্ক মানি৷ ডেমোক্র্যাটরা বছরের পর বছর ধরে যে ধরণের অর্থ সংগ্রহের সমালোচনা করে আসছে।

এই তহবিল সংগ্রহের প্রবণতা বিডেনের ক্ষেত্রে ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেড়ে গিয়েছে৷ যা বর্তমান কোনও প্রেসিডেন্টের কাছে একটা রেকর্ড৷ ২০১২ সালে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মিট রোমনের সমর্থনে বেনামে ১১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কালো টাকা অনুদান এসেছিল৷

কিন্তু এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গিয়েছে৷ ডেমোক্র্যাটরা বলছেন যে, তারা ডার্ক মানিকে বিশেষভাবে নিষিদ্ধ করতে চায়৷ কিন্তু অভিযোগ, ২০২০ সালে ট্রাম্পকে পরাজিত করতে এই পদ্ধতিই অবলম্বন করেছিল তারা৷ উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, সুপার পলিটিক্যাল অ্যাকসন কমিটি, ইউএসএ অ্যাকসন ফান্ড, বাইরের ব্যয়ের জন্য বাইডেনের পছন্দ ছিল৷

অলাভজনক খাতে অনুদান হিসাবে ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যবহার করা হয়েছিল। এই তহবিলের দাতাদের নাম প্রকাশ করার প্রয়োজন নেই। ২০২০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মার্কিন আকাশে বয়েছে উত্তেজনার ঝড়৷ ফল প্রকাশের দিন থেকেই নিজের পরাজয় মানতে অস্বীকার করেন ট্রাম্প৷

ভোটে কারচুপির অভিযোগ আনেন ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে৷ এর পর আমেরিকার ইতিহাসে কালো অধ্যায় লিখে ক্যাপিটল হিলে হামলা চালায় ট্রাম্প সমর্থকরা৷ যার জেরে দ্বিতীয়বার ইমপিচমেন্টের মুখে পড়েন তিনি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।