ওয়াশিংটন: গত দু’মাস একাধিক ঘটনার সাক্ষী থেকেছে আমেরিকা৷ নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন থেকে ২০ জানুয়ারির এই সফরে জুড়েছে একাধিক অধ্যায়৷ সবচেয়ে বেশি ঘটনাবহুল থেকেছে নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডো বাইডেনের কাছে৷

তবে সব কিছু পিছনে ফেলে মার্কিন রাজ্যপাট নিজের হাতে তুলে নেওয়ার পালা আজ৷ ভারতীয় সময় রাত সাড়ে দশটায় ৪৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেবেন তিনি৷ সারা বিশ্ব সাক্ষী থাকবে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের৷ ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসাবে বাইডেন শুধু রিপাবলিকান বাহিনীকেই ছত্রভঙ্গ করেননি, তাঁর হাত ধরেই ইতি পড়েছে ট্রাম্পের টালমাটাল রাজত্বের৷

তবে মার্কিন নাগরিকদের কাছে ২০২১-এর সূচনা একেবারেই সুখকর নয়৷ বরং বলা চলে কিছুটা ভয়ঙ্কর৷ সেনেটরদের ভিতরে আটকে ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের হামলা গোটা বিশ্বকে নাড়া দিয়ে গিয়েছে৷ এই ঘটনায় মৃত্যু হয় পাঁচ জনের৷ যার জেরে দ্বিতীয়বারের জন্য ইমপিচমেন্টের মুখে পড়েন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷

প্রসঙ্গত, এদিনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন না তিনি৷ আজ শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা আগে সারা বিশ্বের স্পটলাইট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের উপরে৷ আজ ভারতীয় সময় রাত দশটায় প্রথম মহিলা ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস।

বাইডেনের সরকারে ভারতীয় বংশোদ্ভূত বেশ কয়েকজনকে উচ্চপদে রাখা হয়েছে৷ তবে বিডেন-হ্যারিস টিমে রয়েছেন কয়েক জন গেম চেঞ্জারও৷ প্রথমেই বলতে হয় অ্যান্টনি ব্লিনকেনের কথা৷

এর আগে ওবামা-বাইডেন প্রশাসনে উপ-বিদেশ মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি৷ এবার বিদেশমন্ত্রী পদে বেছে নেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞ এই কূটনীতিককে৷ ৫৮ বছর বয়সী ব্লিনকেন হলেন বাইডেনের দীর্ঘকালীন সহযোগী।

উপ বিদেশমন্ত্রী পদে রয়েছেন আর শেরম্যান৷ তিনিই মার্কিন ইতিহাসে প্রথম মহিলা উপ-বিদেশমন্ত্রী৷ কূটনৈতিক সাফল্যের জন্য তাঁকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি মেডেল দিয়ে সম্মানিত করেছিলেন বারাক ওবামা৷

এছাড়াও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে রয়েছেন লয়েড অস্টিন৷ তিনি ফোর স্টার জেনারেল৷ ৪০ বছরেরও বেশি মার্কিন বাহিনীর সদস্য ছিলেন৷ উপ বিদেশমন্ত্রীর পদে রয়েছেন হ্যাথলিন হিক৷

বাইডেন জমানায় অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দায়িত্ব সামলাতে চলেছেন মেরিক গারল্যান্ড৷ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে থাকবেন লিসা মানাকো৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।