গাজা: ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে ইজরায়েল (Israel) এবং প্যালেস্টাইন (Palestine) দ্বন্দ্ব। গাজা(Gaza) ভূখণ্ডে প্যালেস্টাইন এবং ইজরায়েলি সেনা বাহিনীর মধ্যে হামলা পাল্টা হামলা তীব্র আকার নিয়েছে। ইজরায়েলের সেনাবাহিনী স্বীকার করেছে, এসব হামলায় তারা ১৮০ টি যুদ্ধবিমানকে কাজে লাগিয়েছে। এসব হামলায় প্রায় দেড়শ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছে শত শত মানুষ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন(Joe Biden) ইজরায়েলে হামলা চালানোর নিন্দা জানালেও বর্বোরোচিত হামলাকে ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ বলে তাতে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, গাজা থেকে হামাস ও অন্যান্য উগ্র গোষ্ঠী পক্ষের রকেট হামলা ঠেকাতে ইজরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। ইজরায়েলে হামলা চালানোর নিন্দাও জানিয়েছেন তিনি। তবে তিনি দুই দেশের মধ্যে চলমান লড়াইয়ে শিশু ও অসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু এবং সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় ধ্বংসের ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়েছেন। হামলা থেকে সাংবাদিকদের সুরক্ষিত রাখতে নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানান বাইডেন। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) আত্মরক্ষার অধিকারে সমর্থন করার জন্যে বাইডেনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

প্যালেস্টাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে বাইডেন বলেছেন, ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা থেকে হামাস যেন রকেট হামলা বন্ধ করে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম আব্বাসের সঙ্গে কথা হল বাইডেনের। বাইডেন(Joe Biden) সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “আমরা সবাই আশাবাদী যে, খুব তাড়াতাড়ি ইজরায়েল এবং প্যালেস্টাইনের সমস্যা মিটে যাবে। দুই দেশের মধ্যে রকেট হামলা বন্ধ হবে। এই বিষয়ে আমি দুই রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই দুই দেশই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করবে।”

মধ্যপ্রাচ্যের এই দুই দেশের অশান্ত পরিবেশে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘের মধ্যপ্রাচ্যের দূত টোর(Tor Woresland) ওয়েন্সল্যান্ড। এদিন টুইটে তিনি বলেন, “অবিলম্বে এই যুদ্ধ বন্ধ করুন৷ আমরা ক্রমশ যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। যুদ্ধের এই বিপুল পরিমাণ ব্যয়ভার সাধারণ মানুষকে প্রাণ দিয়ে মেটাতে হচ্ছে। দু পক্ষের পরিস্থিতিই পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দিকে চলে যাচ্ছে। শান্তির পরিবেশ তৈরি করুন।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.