নিউ ইয়র্ক: কোনও কিছুই জর্জ ফ্লয়েডকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না। কিন্তু কোনও বড় পদক্ষেপ আমেরিকাকে বিচারের পথে এক পা এগিয়ে নিয়ে যাবে। মঙ্গলবার এমনই বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মিনেয়াপলিসের পুলিশ কর্মী ডেকের চাওভিন ফ্লয়েডের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর একথা বলেন তিনি।

জাতির উদ্দেশ্যে এদিন বাইডেন বলেন, “আজ মিনেসোটার জুরি জর্জ ফ্লয়েডের হত্যা মিনেসোটার প্রাক্তন পুলিশ কর্মী ডেরেক চাওভিনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। রায়দান এখনও বাকি। জর্জ ফ্লয়েডকে কোনও কিছুই ফিরিয়ে আনতে পারবে না। কিন্তু আমেরিকার বিচার ব্যবস্থায় এটি একটি বড় পদক্ষপ হতে পারে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এদিনের রায় সেই বার্তাই পৌঁছে দিল। কিন্তু এটা যথেষ্ট নয়। আমরা এখানেই থামতে পারি না। সত্যিকারের পরিবর্তন ও সংশোধন দরকার। এই জাতীয় ট্র্যাজেডি যাতে আর না হয় তার জন্য আমাদের আরও অনেক কিছু করতে হবে। ঘটনার এক বছরও হয়নি। এর মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। আমি ফ্লয়েডের পরিবারকে আশ্বাস দিচ্ছি জর্জ ফ্লয়েডের ন্য়ায় বিচার নিয়ে আমরা লড়াই করব।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও বলেছেন, “ফ্লয়েডের শেষ উক্তি ছিল- ‘I can’t breathe’- আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না। আমরা তাঁদের তাঁর সঙ্গে মরতে দিতে পারি না। আমাদের তাঁদের কথা শুনতে হবে। আমাদের ঘুরে যাওয়া উচিত নয়। আমরা ঘুরবও না। এটি পরিবর্তনের উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত। হিংসা নয়, আসুন শান্তি কামনা করি। যারা এর অনুভূতিকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে আমরা তাদের সফল হতে দেব না। এই সময়টা আমাদের আমেরিকানদের একতাবদ্ধ হওয়ার সময়।” ফ্লয়েডের পরিবারের সঙ্গে এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, গত বছর ২৫ মে জর্জ ফ্লয়েডকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে নির্যাতন করেন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার ডেরেক চাওভিন, হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেন ফ্লয়েডের গলা। এতে শ্বাস নিতে তার কষ্ট হচ্ছে বলে ওই সময় মৃত্যুর আগে বারবার পুলিশের কাছে আবেদন করেছিল ফ্লয়েড। কিন্তু পুলিশ তখন তার আর্তনাদে কর্ণপাত করেনি। মৃত্য হয় ফ্লয়েডের। তাঁর মৃত্যুতে আমেরিকা তো বটেই, বিক্ষোভ ওঠে গোটা বিশ্বে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.