নিউইয়র্ক: টিকটক (TikTok) , উইচ্যাট (WeChat) নিষিদ্ধ করার আদেশ প্রত্যাহার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (Joe Biden) । এর আগে আমেরিকার (America) প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) মার্কিন মুলুকে টিকটক এবং উইচ্যাট বন্ধ করতে চেয়েছিলেন। তবে ট্রাম্পের সেই উদ্যোগের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বার্থ হয় এই দুই সংস্থা। শেষমেশ আদালতের হস্তক্ষেপে মার্কিন প্রশাসনের সেই আদেশে স্থাগিতাদেশ জারি করা হয়েছিল। এবার টিকটক, উইচ্যাট-কে কিছুটা স্বস্তি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। টিকটক, উইচ্যাট নিষিদ্ধের আদেশ প্রত্যাহার বাইডেনের।

তবে এখনও পুরোপুরি স্বস্তি মেলেনি টিকটক ও উইচ্যাটের। এই দুই চিনা (China) সংস্থার বিরুদ্ধে চলা তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে আমেরিকায়। এবিষয়েই এবার নতুন একটি চুক্তি সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ওই নির্দেশনায় টিকটক ও উইচ্যাটের ব্যাপারে নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক লেনদেনের বিষয়েও পৃথক সরকারি প্যানেলের পর্যালোচনার মুখোমুখি হতে হবে টিকটক-কে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ডোনাল্ড ট্রাম্প চিনা সংস্থা টিকটক ও উইচ্যাটের কার্যপ্রণালী নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। টিকটক চিনের সরকারকে মার্কিনিদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছিল। আমেরিকার তাবড় ব্যক্তিত্বের যাবতীয় ডেটা টিকটকের মাধ্যমেই চিন (China) সরকারের কাছে পৌঁছে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

যদিও সেব্যাপারে ভিন্নমতও রয়েছে। ট্রাম্পের সমালোচকরা জানিয়েছিলেন, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি কর্মসূচি টিকটক ব্যবহারকারীদের দ্বারা ভন্ডুল হতে বসেছিল। সেই সময় থেকেই ট্রাম্পের বিষ নজরে পড়ে গিয়েছিল এই সোশ্যাল মাধ্যম। তারপর থেকেই টিকটকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের ভাবনা আসে ট্রাম্পের মাথায়। মার্কিন (American) নাগরিকদের সুরক্ষা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কার কথা বলেন ট্রাম্প। টিকটক ও উইচ্যাটকে কাঠগড়ায় তুলে তাদের নিষিদ্ধ করার তৎপরতা নেন ট্রাম্প।

যদিও এরপরেই আইনি পথে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের মোকাবিলায় নামে এই দুই সংস্থা। একদিকে দুটি সংস্থার বিরুদ্ধেই তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগের সারবত্তা কতটা? তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে মার্কিন আদালত আগেই টিকটক, উইচ্যাট নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে স্থগিতাদেশ জারি করেছে। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই দুই সংস্থাকে আরও স্বস্তি দিলেন। চিনের এই দুই সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার আদেশ তুলে নিলেন তিনি। তবে এই দুই সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত জারি থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.