সুভীক কুন্ডু, কলকাতা: চক্রব্যুহ দুজনের জন্যই তৈরি ছিল৷ পার্থক্য শুধু, একজন পারলেন আর অন্যজন পারলেন না! এবার ময়দানে কান পাতলে সমর্থকদের মধ্যে ঘোরাফেরা শুরু এক অন্য মিথের গল্প৷

আরও পড়ুন- জোড়া গোলে ফিরতি ডার্বি জয় লাল-হলুদের

খাতায় কলমে, স্লোগানে স্লোগানে এই ডার্বিকে অনেকেই সনি নর্ডির ডার্বি বলেছেন৷ কারণ একাধিক৷ সবুজ-মেরুণ জার্সিতে শেষ দুই ম্যাচে বাগান জনতার কাছে তিনিই ত্রাতা, তিনিই ভগবান! গোল করছেন, গোল করাচ্ছেন৷ আর সনি ডার্বিতে নামলে যে বড়ো ম্যাচ হারে না বাগান৷ সেই মিথই ছিল সমর্থকদের বড় ভরসা৷

শেষ ডার্বিতে চোটের জন্য মাঠের বাইরে ছিলেন৷ ফিরে অনেক তাগিদ অনেক লড়াই! মাঠেও লড়লেন, নব্বই মিনিট৷ কিন্তু আলেজান্দ্রোর ঠিক করে দেওয়া মাপা মার্কিংয়ে সনি এদিন যেন খাঁচায় বন্দি বাঘ৷ গর্জনে গর্জনে মিনিট কাটলেও বর্ষণ হল না৷

আরও পড়ুন- সনি-খালিদের ‘দুঃস্বপ্ন’, ডার্বি শুধুই জাস্টিনময়…রইল ডার্বির পাঁচ দিক

তুলনায় ডিসেম্বর ডার্বির নায়ক জবিকে নিয়ে স্লোগানে ডেসিবেল থাকলেও সোনি সোনি চিৎকারের কাছে সেটা ঢাকা পড়েছিল৷ দিনের শেষে সেই সনির মঞ্চেই আলো কাড়লেন কেরালিয়ান৷ লাল-হলুদের হয়ে গোল করলেন, গোল করালেন৷ দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর পিচকার পারফেক্ট হেড দেখে মনে হতেই পারে এ তো এক ছোবলেই …৷ মাঠে টিফোয় টিপ্পনি’র পর এবার ম্যাচ শেষে লাল-হলুদ সমর্থকরা গান ধরেছেন, ‘জবির পায়ে বল, ডার্বি জেতে ইস্টবেঙ্গল৷’ সঙ্গে জুড়েছে ‘জ, এ জবি আসছে তেড়ে’‍-র মতো স্লোগান৷ ময়দানে নতুন মিথ এবার শুরু হলো বলে৷

আরও পড়ুন- জোড়া গোলে ফিরতি ডার্বি জয় লাল-হলুদের