নয়াদিল্লি: গত বছরটা করোনা অতি মহামারীতে কেটেছে ‌। কোপ পড়ে চাকরি এবং বেতনে।তার ফলে কর্মীদের চাকরি ঠেকিয়ে রাখাটাই এক প্রকার কঠিন কাজ হয়ে পড়েছিল । তখন আর বেতন বৃদ্ধি বোনাস ইত্যাদির কথা ভাবতে পারছিল না কর্মীরা। কিন্তু ২০২১ সালে পরিস্থিতি পরিবর্তন হচ্ছে। যেহেতু ৬০ শতাংশ কোম্পানি এবার চাইছে কর্মীদের বেতন বাড়াতে এবং বোনাস দিতে। এই বিষয়ে সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে ৩০ শতাংশ নিয়োগকর্তা দ্বিধান্বিত তাদের সংস্থার কর্মশক্তিকে সুবিধা কতটা কি দেওয়া যায়।

মাইকেল পেজ ট্যালেন্ট ট্রেন্ড ২০২১ অনুসারে ৫৩ শতাংশ সংস্থা এই বছর নতুন নিয়োগের কথা ভাবছে। ওই সমীক্ষা ১২টি এশিয়া প্যাসিফিক বাজারে ৫৫০০০ কর্মী এবং ২১,০০০ শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলেছে। ভারতের ৬৬০টি সংস্থা এবং ৪৬০০ কর্মীর উপর সমীক্ষা চালানো হয়।

এই সমীক্ষা অনুসারে ৫৫ শতাংশ কোম্পানি কর্মীদের বোনাস দেওয়ার ব্যাপারে তৈরি হচ্ছে। যাদের মধ্যে ৪৪ শতাংশ এক মাসের বেতনের বেশি বোনাস দিতে চায়। অন্যদিকে ৪৬ শতাংশ চায় এক মাস অথবা তার কম সময়ের বেতন বোনাস হিসেবে দিতে চায়।

ক্ষেত্র বিশেষে সংস্থাগুলিতে বেতন বৃদ্ধি নির্ভর করছে। মোটামুটি দেখা গিয়েছে হেলথকেয়ার এবং লাইফ সাইন্স সংস্থার নিয়োগকর্তারা ৮ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধির কথা ভেবেছে। অন্যদিকে এফএমসিজি (৭.৬ শতাংশ), ই-কমার্স এবং ইন্টারনেট (৭.৫ শতাংশ) ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে (৭.৩ শতাংশ) এবং ব্যাংক ও আর্থিক পরিষেবা সংস্থায়( ৬.৮ শতাংশ) বেতন বৃদ্ধি হতে পারে বলে এই সমীক্ষা জানাচ্ছে।

যারা রয়েছেন পেশাগত পরিষেবায় তারা ৬.৭ শতাংশ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ৬.১ শতাংশ, পরিবহন এবং বিতরণ ৬ শতাংশ এবং শিল্প উৎপাদন ক্ষেত্রে ৫.৯ শতাংশ, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং শক্তিতে ৪.৯ শতাংশ এবং সম্পত্তি ও নির্মাণে ৫.৩ শতাংশ বৃদ্ধি হতে পারে।

অতি মহামারী আলাদা আলাদা ভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রকে ধাক্কা দিয়েছিল। সে দিক থেকে স্থানীয় সংস্থা বহুজাতিক সংস্থার চেয়ে বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারে তুলনায় নমনীয়। ভারতে ৫৩ শতাংশ সংস্থা এই বছরের নিয়োগের কথা ভেবেছে যেখানে ২০২০ সালে তা ১৮ শতাংশ কমে গিয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।