কলকাতা : WBSEDCL তে নিয়োগ নিয়ে বড় আন্দোলনে নামার ইঙ্গিত দিল ‘পশ্চিমবঙ্গ চাকরি প্রার্থী মঞ্চ’। সমস্যা সমাধান না হলে ফেব্রুয়ারি মাসে সেই আন্দোলন হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে চাকরি প্রার্থীরা। ২০ জানুয়ারী সকাল ১১:৩০ সল্টলেক বিদ্যুৎ ভবনে করুণাময়ী মোড় WBSEDCLএর নিয়োগ, যা ২০১৮তে নোটিফিকেশন দিয়েও আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ তা নিয়ে চাকরি প্রার্থীদের পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়।

চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ , ২০১৮ সালে ৬৫০+ ইঞ্জিনিয়ার ( জুনিয়র, সিনিয়ার) ও ৪৫০+ নন টেকনিকাল পদের জন্য নোটিফিকেশন হয়। ২০১৯ সালের ৯ জুন পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পরে অজ্ঞাত কারনে পরীক্ষা বাতিল করে। চাকরি প্রার্থীদের দাবী , ‘প্রকাশ্য না হলেও ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছিল ২০২০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা বাতিল করে’। তাঁদের দাবী WBSEDCL বলেছিল, ‘যারা ফর্ম ফিলাপ করেছিলেন ওই অ্যাডমিট কার্ডে তারা আবার পরীক্ষা দিতে পারবে। এর পর থেকে ১১ মাস কেটে গেলেও, আজও নোটিফিকেশন হলো না কবে পরীক্ষা হবে।’ ২০ জানুয়ারি

চাকরি প্রার্থীরা জানাচ্ছেন , ‘ওইদিন জেনারেল ম্যানেজার আমাদের ডেপুটেশন নেন। তিনি বলেন যে ওনারা দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করবেন। তবে কবে পরীক্ষার নোটিফিকেশন হবে তা জানান নি। ওনার বক্তব্য ২০২১ সালের অক্টোবর মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে। বারা বার বলার পর ও উনি বলেন নি যে কবে নোটিশ বার হবে। তবে উনি জোর দিয়েই বলেন যে এবার পরীক্ষা স্বচ্ছ ভাবেই হবে। যদিও এই কথা বিশ্বাস করা কঠিন। কারন এই সরকার আর স্বচ্ছতা। চাকিরিপ্রার্থীদের সহজ বক্তব্য ফেব্রুয়ারি মাসের ১০ তারিখের মধ্য নোটিফিকেশন না হলে বড় আন্দোলন হবে।

এর আগে রাজ‍্য বিদ‍্যুৎ বন্টন সংস্থার সদর দপ্তর বিদ‍্যূৎ ভবনে অ্যাসিট‍্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগে বাঙালিকে বঞ্চনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিল বাংলাপক্ষ। তাঁরা সেখানে দুর্নীতির খোঁজ পেয়েছিল। তাঁদের দাবী ছিল, ‘আমরা জানতে পেরেছি বাংলার সরকার নিয়ন্ত্রিত WBSEDCL এ নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলার ছেলেমেয়েদের মেডিক্যাল টেস্ট হয়েছে বিড়লার মালিকানাধীন CMRI তে, ৭৭% শতাংশ আনফিট ঘোষণা করেছে CMRI., যা আর্মড ফোর্সেও হয় না। এটা বাস্তবে সম্ভব নয়৷’

বাংলা পক্ষ রাজ‍্য বিদ‍্যুৎ বন্টন সংস্থার সদর দফতর বিদ‍্যূৎ ভবনে অ্যাসিট‍্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগে বাঙালিকে বঞ্চনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। তবে সংগঠনের পক্ষ থেকে সংস্থার চেয়ারম‍্যানকে ডেপুটেশন দিতে গেলেও তা সম্ভব হয়নি। সংস্থার পক্ষে বাংলা পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছিল, মাননীয় চেয়ারম‍্যান তাঁদের সঙ্গে দেখা করবেন। বাংলা পক্ষ নেতৃত্ব ওইদিন উপস্থিত হয়ে তাঁর কাছে এই বঞ্চনার তথ‍্য তুলে ধরে। এরপরেই ওই দুর্নীতির খোঁজ পায় তাঁরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।