নয়াদিল্লি: লকডাউন জোরালো প্রভাব ফেলেছে ভারতীয় অর্থনীতিতে। কেন্দ্র যতই অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে দাবি করুক না কেন, করোনা সংকটের জেরে এদেশের অর্থনীতির বেহাল দশা এখনো আদৌ কাটেনি। রিপোর্ট বলছে এদেশের অধিকাংশ মানুষ লকডাউন পরিস্থিতিতে জীবিকা পরিবর্তন করে প্রাণ বাঁচিয়েছেন। বলা ভালো তাঁরা জীবিকা বদলাতে বাধ্য হয়েছেন। কারণ প্রচুর মানুষ নিজের চাকরি খুইয়েছেন।

রাজস্থানের রাম সিং শেখাওয়াতের মতো বহু দক্ষ পেশাদার কাজ হারিয়েছেন এই লকডাউনে। যাঁরা বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করতেন। শুধু চাকরি হারানোই নয়। বেতন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষের। মোট বেতনের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কম বেতন হাতে পেয়েছেন অধিকাংশ মানুষ।

দেশে মন্দা পরিস্থিতি রয়েছে অভিযোগে বারবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। বুধবার রাজ্যসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তার জবাব দেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তিনি জানান, বৃদ্ধির হার কমতে পারে, কিন্তু অর্থনীতি যে মন্দায় চলছে একথা এখনই বলা যাবে না।

বিরোধীদের কথার জবাব দিতে গিয়ে এদিন অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ফলপ্রসূ হচ্ছে, তার ফলে বিভিন্ন সেক্টর যেমন অটোমোবাইল সেক্টর পুনরায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। পাশাপাশি যে পদক্ষেপগুলি কেন্দ্রের তরফে নেওয়া হচ্ছে সেগুলিও রেকর্ড করে রাখা হচ্ছে বলে জানান সীতারমণ।

ইউপিএ সরকারের শেষ পাঁচ বছর ও মোদী জমানার প্রথম পাঁচ বছরের তুলনা টেনে তিনি বলেন, ২০০৯-২০১৪ শেষে ভারতের আসল জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৪ শতাংশ, কিন্তু ২০১৪-২০১৯ সালের মধ্যে এটি ছিল ৭.৫%। অর্থমন্ত্রী দাবী করেছেন, দেশে মন্দা আসেনি, আসবেও না।

সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি বা সিএমআইই জানাচ্ছে ভারতে বেকারত্বের হার ৭.৮ শতাংশে নেমেছে। ২২শে নভেম্বর যে সমীক্ষা করেছে সিএমআইই, তাতে এই তথ্য জানা গিয়েছে।

সিএমআইই জানিয়েছে জুন মাসে লকডাউন ধীরে ধীরে তুলে নেওয়ার পর কিছুটা হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল। তবে ২৫শে অক্টোবরের পর থেকে আবার সেই হার নামতে শুরু করেছে। নভেম্বরের ২২ তারিখ পর্যন্ত নিয়োগের হার ছিল ৩৬.২ শতাংশ।

সিএমআইইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১.৮ কোটি মানুষকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে এই মহামারীর কারণ দেখিয়ে। বিভিন্ন ব্যবসা ও ফার্ম থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে এঁদের। এই সমীক্ষা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে। কারণ বিভিন্ন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাড়ছে কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিমাণ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।