নয়াদিল্লি: ফের একবার হামলার অভিযোগ উঠল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে। সবরমতী গার্লস হস্টেলের পর এবার ঘটনাটি ঘটেছে নর্মদা হস্টেলে। যার উপর আক্রমণ করা হয়েছে সে বিএ ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র রাগিব আকরম।

রাগিব এভিবিপির ছাত্র কার্ত্তিকের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছে। যদিও কার্ত্তিক এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

রাগিব আকরম স্পষ্ট জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে কার্ত্তিক তার সঙ্গীসাথীদের নিয়ে তার হস্টেলের ঘরে এসেছিল। তাঁকে নাজিবের মতন গায়েব করে দেওয়ার হুমকই দেওয়া হয়েছে।

রাগিব অভিযোগ জানিয়েছে, নর্মদা হস্টেলের ‘বিশেষ নৈশভোজ’ যোগদান করতে স্বিকার করলে তার উপর অন্য হস্টেলের ছাত্ররা হামলা চালায় বলেই জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারী রবিবার সন্ধেয় আচমকা জেএনইউয়ে মুখে কাপড় বেঁধে ঢুকে পড়েছিল ৪০-৫০ জনের দুষ্কৃতীদের একটি দল। হাতে লোহার রড, লাঠি, বাঁশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গার্লস হস্টেলে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। বেছে বেছে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল বাম সমর্থক ছাত্রছাত্রীদের।

দুষ্কৃতীরা বেধড়ক মারধর করেছিল বাম ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষকে। রডের ঘায়ে মাথা ফেটে গিয়েছিল ঐশীর। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল দিল্লির এইমসে। দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন জেএনইউয়ের অধ্যাপক সুচরিতা সেনও। গোটা গার্লস হস্টেল জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা।

ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফ থেকে জানা গিয়েছিল, জেএনইউ কাণ্ডের পর থেকে যে ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছিল তাতে মুখোশ ঢাকা যে ছাত্রীকে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল তাঁকে চিহ্নিত করেছে দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য তাকে দ্রুত নোটিশ পাঠানো হবে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল এক মহিলা হাতে রড নিয়ে রীতিমত হুমকি দিচ্ছেন ছাত্রীদের। তার সঙ্গে দুজনকেও দেখা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে চিহ্নিত হওয়া ওই ছাত্রী দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। তবে তার পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে প্রকাশ করা হয়নি। তবে খুব সম্ভবত তাঁকে জেরার জন্য সোমবার ডেকে পাঠানো হবে।

 

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।