নয়াদিল্লি: দিল্লি জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) তাদের সর্বশেষ নোটিশে সেমিস্টারের জন্য রেজিস্টার ফি বাড়ানো হয়নি বলে জানিয়েছে। ইউনিভার্সিটির তরফে সকল শিক্ষার্থীকে ভুয়ো সংবাদ পড়ার ক্ষেত্রে নিষেধ করা হচ্ছে। দেশে ক্রমশ কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া ১৬ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছে জেএনইউ। আগামী দিনে ফের কবে থেকে এই প্রক্রিয়া চালু করা হবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

জেএনইউ তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে কোনও রকম সেমিস্টারের টাকা বাড়াচ্ছে না। দেশে ক্রমবর্ধমান কোভিড সংক্রমণ বেড়ে চলার কারণে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে রেজিস্টারের প্রক্রিয়া। এর পাশাপাশি রেজিস্টার সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://jnu.ac ঠিকানাতে উল্লেখ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

কিছুদিন আগে কোভিড পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষার্থীদের নিয়মবিধি মেনে চলার কথাও জানানো হয়েছিল। কোভিড পরিস্থিতিতে নিরাপদে থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের তাদের স্থানীয় জায়গাগুলি ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এর পাশাপাশি জানানো হয়েছিল, কেউ যদি পদক্ষেপগুলি লঙ্ঘন করে তবে তাদের ক্ষেত্রে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের বিধান এবং অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে গোটা দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে হু-হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। দেশে ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞমহলে। বর্তমান সময়ে আগের তুলনায় অনেকটায় ক্ষমতা বাড়িয়েছে নোভেল করোনা ভাইরাস, যার ফলে প্রায় ১০ জনের পরীক্ষা করালে ৮ জন সংক্রমিত হবার তথ্য সামনে উঠে আসছে। সেই কারণে কোভিড-১৯ পরীক্ষা পরিমাণ আরও বাড়াতে সরকারের সঙ্গে এগিয়ে আসতে দেখা গেছিল দেশের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)কে।

জেএনইউ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে একটি কোভিড-১৯ পরীক্ষা কেন্দ্র আয়োজিত করেছিল। দিল্লি সরকারের কার্ফু জারি করার ফলে বন্ধ করা হয়েছে ডক্টর বি আর আম্মেদকর কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারটি। জেএনইউ এর তরফে, জরুরি কাজে যাতায়াত ছাড়া ক্যাম্পাসের বাসিন্দাদের কার্ফুর সময়কালে ক্যাম্পাসে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞ জারি করে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের মূল দ্বারগুলি বন্ধ রাখা হয়েছে মহামারীর পরিস্থিতিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.