বিশেষ প্রতিবেদন:  লক্ষ্য ভারতে বসে বাংলাদেশের সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র৷ বর্ধমান শহরের উপকণ্ঠে খাগড়াগড়ের জঙ্গি ডেরায় আচমকা বিস্ফোরণে সেই পরিকল্পনা বানচাল হয়েছিল৷ ২০১৪ সালের সেই খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার ষড়যন্ত্রী তথা নব্য জেএমবি নেতা হাতকাটা নাসিরুল্লা ধৃত৷ এবার পালা পুরনো জেমবি শাখার প্রধান সালাউদ্দিন সালেহীনের৷ তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরি করে শক্তি দেখাতে মরিয়া জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ৷

গত বছর পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে অভিযান চালিয়ে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স ৬ জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেফতার করে৷ তখনই অল্পের জন্য হাতছাড়া হয়েছিল সালাউদ্দিন সালেহীন৷

বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ (২০১৪ সালের ২ অক্টোবর) হওয়ার কয়েকমাস আগের ঘটনা৷ ময়মনসিংহে পুলিশের ভ্যান থেকে সালাউদ্দিন সালেহীনকে ছিনিয়ে নিয়েছিল জেএমবি জঙ্গিরা৷ সেই থেকেই স্পষ্ট, সংগঠনে কতটা গুরুত্ব পায় এই সালেহীন৷ সূত্রের খবর, ভারতেই আত্মগোপন করে আছে এই মোস্ট ওয়ান্টডেড জেএমবি জঙ্গি৷

জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি৷ এই সংগঠন দুভাগে বিভক্ত৷ তৈরি হয়েছে নব্য জেএমবি৷ আর সংগঠনের পুরনো অংশটি পরিচিত জেএমবি নামে৷ তবে তার শক্তি কমেছে৷ আর শক্তি বাড়িয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যাবতীয় নাশকতায় অভিযুক্ত নব্য জেএমবি৷ বাংলাদেশ পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের দাবি, পুরনো জেএমবিকে শক্তিশালী করতে হাল ধরেছে সালাউদ্দিন সালেহীন৷

২০০৫ সালের ১৭ আগস্টের দিন৷ বাংলাদেশের ৬৩টি জেলায় পর বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে৷ শতাধিক মানুষ জখম হন৷ সেই হামলায় অন্যত্ম অভিযুক্ত সালাউদ্দিন সালেহীন৷ সূত্রের খবর, ভারতে অবস্থান করেই বাংলাদেশে লাগাতার নাশকতা চালানোর চেষ্টা করছে সালাউদ্দিন৷