নয়াদিল্লি: হরিয়ানায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই কংগ্রেস বিজেপি। আর সরার গঠনের তাস ৩১ বছরের দিষ্মন্ত চৌতালার হাতে। একতা সময় যাদের ‘শিশুদের দল’ বলে আবজ্ঞা করা হয়েছিল, তারাই আজ সরকার গঠনে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ফলাফলের ট্রেন্ড পরিস্কার হওয়ার পর থেকেই বিজেপি দফায় দফায় বৈঠক করছে। বৈঠক করেছেন অমিত শাহ নিজে। দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে হরিয়ানার বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরকেও। এরপরই শোনা যাচ্ছে, জেজেপি বিজেপিকে সমর্থন করতে চলেছে।

এদিন, নির্বাচনী ফল দেখে অবাক খোদ বিজেপি শিবির৷ মেলেনি এক্সিট পোলেরও হিসেব। কেবল কংগ্রেসই নয় বিজেপিকে ধাক্কা দিয়েছে স্থানীয় দল জেজেপি। এই দলের কালো ঘোড়া হিসেবে সামনে আসলেন দুষ্মন্ত চৌতালা৷ তিনি নিজে তো পাশার দান উল্টে দিলেনই, তাঁর এই রাজনৈতিক ধাক্কায় সঙ্গী হলেন কিছু নির্দল জয়ী প্রার্থী৷

৬ জন নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন৷ তারা এই নির্বাচনে ধাক্কা দিয়েছেন বিজেপি এবং কংগ্রেসকে। এদের মধ্যে মেহামের বলরাজ কুণ্ডু, প্রিথলার নয়ন পাল রাওয়াত, পুন্দ্রি থেকে রণধীর সিং গোল্লেন, সিরসার গকুল সেতিয়া, রানিয়া থেকে রঞ্জিত সিং বাদশাপুর থেকে রাকেশ দৌলতাবাদ এই নির্বাচনে নতুন ভাবে সামনে এসেছেন।

ফলাফলের হিসেব বলছে, (বিকেল সাড়ে ৫টা) ৯০টি আসনের মধ্য বিজেপি ৪০টি, কংগ্রেস ৩০, অন্যরা ২০টি৷ এই হিসেবই পরিষ্কার  হরিয়ানা নির্বাচনে কালো ঘোড়া দুষ্মন্তের দৌড়, দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে নির্দলরা৷

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চৌতালা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে এখনই কিছু আলোচনা হয়নি কারোর সঙ্গেই। ভোটের ফলাফল যতক্ষণ না পর্যন্ত শেষ হচ্ছে এই বিষয়ে কিছুই বলা সম্ভব নয় বলে ওই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিনি।

পাশাপাশি জননায়ক জনতা পার্টি চিফ আরও জানিয়েছেন যে, আগামী যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা অবশ্যই ভোটের সম্পূর্ণ ফলাফল বিচার করেই। তবে ভোট রাজনীতিতে চৌতলার উত্থান যথেষ্ট চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বিজেপির কপালে। যদিও সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বিজেপির তরফ থেকেও চৌতলার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। জোট করে যাতে হরিয়ানাতে সরকার গঠন করা যায় সেই অংকই এখন কষতে মরিয়া অমিত-জে পি রা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও