কলকাতা: অবশেষে বিজেপিতেই যোগ দিলেন পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক তথা আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি৷ মঙ্গলবার শ্রীরামপুর বিজেপির সভায় গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন তিনি৷ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত থেকে তুলে নিলেন গেরুয়া পতাকা।

কয়েক মাস আগেই জিতেন্দ্র তিওয়ারি বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু কিছু বিজেপি নেতার আপত্তি তুলেছিলেন৷ তাই এতদিন তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেননি৷ তাছাড়া বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা বলেও, নিজেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে জানিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই কাজ করবেন৷

পান্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়কের দলবদলের জল্পনার শুরুতে আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় বলেছিলেন,জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে বিজেপিতে নেওয়ার বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যদি কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে তবে আমার কিছু করার নেই। এঁরা বিজেপিতে যোগ দিলে আমি মন থেকে মেনে নিতে পারব না৷

সেই বাবুল সুপ্রিয় এদিন জিতেন্দ্র তিওয়ারি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমকে বলেন,‘উনি তো সাহস করে ফিরহাদ হাকিমকে চিঠিটা লিখেছিলেন! বলেছিলেন, রাজনৈতির স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসানসোলকে স্মার্ট সিটি করতে দেননি। কেউ যদি নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে উন্নয়নের কাজ করতে চান, তাঁকে বিজেপি-তে স্বাগত। উনি এলে আমাদের দল শক্তিশালীই হবে।’

জানুারিতে তৃণমূলের নতুন জেলা কমিটি ঘোষণা করে শাসক দল৷সেখানে পশ্চিম বর্ধমানে শাসক দলের নতুন জেলা কমিটি থেকে বাদ পড়েন জিতেন্দ্র তিওয়ারি৷

তবে জিতেন্দ্র সংবাদ মাধ্যমকে বলেছিলেন,‘আমি তো নিজেই ইস্তফা দিয়েছি। বাদ দেওয়া হবে কেন? আমি দলের সঙ্গেই আছি৷ ’ জিতেন্দ্র তিওয়ারির জায়গায় পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সভাপতির পদে আসেন অপূর্ব মুখোপাধ্যায়।

২০২০ সালের শেষে খবরের শিরোনামে আসেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। কলকাতায় ইএম বাইপাসের ধারে একটি পাঁচতারা হোটেলে বিজেপির বৈঠক চলছিল। সেই হোটেল থেকেই বেরোতে দেখা গিয়েছিল জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও কন্যা। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোরদার জল্পনা৷

আসানসোল পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তৃণমূলের প্রতি অভিমান করে সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছিলেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।