ফাইল ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ক্ষমা চেয়ে তৃণমূলে থেকে গেলেও দলের আস্থা পুরোপুরি ফেরত পাননি৷ আসানসোলের পুর প্রশাসক এবং পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দল তাঁকে ফিরিয়ে দেয়নি৷ পরিস্থিতি প্রতিকূল বুঝে বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই তৃণমূল ভবনে হাজির হলেন আসানসোলের প্রাক্তন পুর প্রশাসক তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি।

তৃণমূল সূত্রের খবর, দলে নিজের অবস্থান ঠিক করতে মরিয়া জিতেন্দ্র সরাসরি তৃণমূল ভবনে এসেছিলেন শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতে। এদিন মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, এদিন সরাসরি দলনেত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন জিতেন্দ্র৷
তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে জিতেন্দ্র তৃণমূল ভবনে এলেও ভিতরে ঢোকেননি। বাইরেই ঘোরাঘুরি করছিলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর চলে যান৷ তৃণমূল ভবনে আসার কথা কারণ জানতে চাওয়া হলে, জবাবে জিতেন্দ্র বলেন, ‘‘এটা তো আমার দলেরই অফিস! সেখানে আমি তো আসতেই পারি।’’ জিতেন্দ্র নিজেও জানিয়েছেন, এদিন তাঁর সঙ্গে কারোর কোনও কথা হয়নি৷

গত ১৪ ডিসেম্বর তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন আসানসোল পুরনিগমের পদত্যাগী মুখ্য প্রশাসক তথা দলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তিওয়ারি। আসানসোলের অনুন্নয়নের জন্য পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি পুরমন্ত্রীকেই এক চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। তাতে তাঁর দাবি ছিল, রাজনৈতিক কারণে স্মার্টসিটি প্রকল্পের ২,০০০ কোটি টাকা আসানসোলকে নিতে দেয়নি রাজ্য সরকার। এমনকী বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের ১,৫০০ কোটি টাকাও একই কারণে পাননি আসানসোলবাসী। বদলে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বললেও তা রাখেননি ফিরহাদ হাকিম।

পর দিন জিতেন্দ্রকে কলকাতায় তলব করে তৃণমূল। কিন্তু তিনি আসেননি। এসব যখন চলছে তখন উত্তরবঙ্গে ছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৮ ডিসেম্বর কলকাতায় ফিরে তিনি জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলে জানান। তার আগে ১৭ ডিসেম্বর সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেন জিতেন্দ্র।১৬ ডিসেম্বর পুরপ্রশাসক পদ থেকে আচমকাই ইস্তফা দেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। একইসঙ্গে তিনি পশ্চিম বর্ধমানের তৃণমূল জেলা সভাপতি-সহ দলের সমস্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। কিন্তু নাটকীয়ভাবে ঠিক দু’দিন পরেই আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। কলকাতায় তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। দলের কাজেও যোগ দেন। কিন্তু তারপর দলে আর পুরোনো জায়গা ফিরে পাননি জিতেন্দ্র৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।