কার্যত বাকি নেটওয়ার্কিং কোম্পানিগুলিকে প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলার জন্য এবারে এক নতুন পদক্ষেপ গ্রহন করল জিও। মাত্র কয়েক বছর আগে এই নেটওয়ার্ক লঞ্চ করা হলেও ক্রেতাদের চাহিদার কথা ভেবে তাদের তরফে নিয়ে আসা হয়েছিল জিও ফোন। আর এই জিও ফোন ব্যবহার করা শুরু করেছিলেন একাধিক মানুষজন। সেই কারণেই ফের একবার এক নতুন প্ল্যান নিয়ে আসা হল জিওর তরফে।

ভারতীয় নেটওয়ার্কিং পরিষেবা মূলত নির্ভরশীল কয়েকটি কোম্পানির নেটওয়ার্কের উপরেই। জিওর বাজারে লঞ্চ করার ফলে কার্যত এক ধাক্কাতেই ক্রেতাদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল এই কোম্পানি। পাশপাশি পাল্লা দিয়ে গ্রাহকদের নজর কাড়ার জন্য তাদের তরফে নিয়ে আসা হয়েছিল একের পর এক প্ল্যান। তবে জিও ফোন লঞ্চ করার পর থেকেই গ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল এই নেটওয়ার্ক। এই জিও ফোনকে আরও বেশি করে যাতে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায় সেই কারণে এই ফোন সংক্রান্ত কিছু প্ল্যান তারা বাজারে নিয়ে এসেছিল।

আর এবারে জিও ফোন গ্রাহকদের জন্য একেবারে ৫ টি প্ল্যান বাজারে নিয়ে এসেছে তারা। এই প্ল্যানের দাম শুরু হচ্ছে মাত্র ২২ টাকা থেকে। আর সব থেকে বেশি দামী প্ল্যানের দাম রাখা হয়েছে ১৫২ টাকা। মূলত সব ধরনের গ্রাহকেরা যাতে এই ফোন ব্যবহার করেন সেই কারণেই এই দাম রাখা হয়েছে। এই সকল প্ল্যানের ভ্যালিডিটি রাখা হয়েছে ২৮ দিন। সঙ্গে রয়েছে ডেটার সুবিধাও।

কেবলমাত্র এই প্ল্যান গুলি নিয়ে আসা হয়েছে জিও ফোন গ্রাহকদের জন্যই। আর এই প্ল্যান সংক্রান্ত তথ্য ইতিমধ্যে ওয়েবসাইটে দেখা গিয়েছে। ২২ টাকার প্ল্যানে গ্রাহকেরা ২ জিবি করে ৪ জি ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন।

কিছুদিন আগেই জিও ফোন গ্রাহকদের জন্য বাজারে নিয়ে আসা হয়েছিল এক নতুন প্ল্যান। তারপরে ফের গ্রাহকদের মধ্যে এই প্ল্যানের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য এই প্ল্যান নিয়ে আসা হয়েছে। এই নতুন প্ল্যান বাজারে নিয়ে আসার ফলে বাকি কোম্পানির থেকে গ্রাহকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে জিওর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।