মুম্বই: আবির্ভাবের পর থেকে মোবাইল ফোনের জগতে এক বিপ্লব ঘটিয়েছিল জিও । সিএলএসের পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী সেই বিপ্লব যে এখনও বর্তমান তা পরিস্কার হয়ে গেল। শেষ ছয়মাসের মধ্যে রিলায়েন্স জিও পেয়েছে ৪৪ মিলিয়ন নতুন গ্রহীতা । উপরন্তু ভোডাফোন এবং এয়ারটেল ২০ লক্ষ ও ৬৮ লক্ষ গ্রাহক হারাল এই সময়ের মধ্যে । ফলে, মোবাইল নেটওয়ার্কের থ্রিজি এবং ফোরজি নেটওয়ার্কে প্রায় জিওর গ্রাহক প্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে ৫২ শতাংশের কাছাকাছি।

সেখানে ভারতী এয়ারটেলের ব্যবহারকারী প্রায় ২৩ শতাংশে স্থির। কেবলমাত্র থ্রিজি এবং ফোরজি নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে যা বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৩৮ শতাংশ। সিএলএসের রিপোর্ট অনুযায়ী গত বছরে জিও ব্যবহারকারীরা প্রায় ১০ শতাংশ গ্রাহক বাড়ানোর ফলে তার শেয়ার বেড়েছে ২৮ শতাংশে। সেখানে ভোডাফোন এর গ্রাহক কমেছে ৮ শতাংশ থেকে ৩৩ শতাংশে । ভারতী এয়ারটেলের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ থেকে ৩২ শতাংশে। অর্থাৎ জিওর ধাক্কা তে বাকি প্রতিদ্বন্দ্বীরা যে বেশ পিছিয়েই পরছে তা বেশ বোঝা গিয়েছে এই রিপোর্ট দেখে । এর ফলে এই দুই কোম্পানির হতাশার ছবি আরও সুস্পষ্ট ভাবে সামনে এল। শুধু তাই নয় গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে বিএসএনএলেরও। ২.৬৬ লক্ষ গ্রাহক সংখ্যা বাড়িয়েছে তারা।

তবে এখনও মোট সংখ্যার দিক থেকে একনম্বরে আছে ভোডাফোন এবং আইডিয়া ।এবং তাদের পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জিও । এবং তারপরেই আছে এয়ারটেল। গ্রাহক কমার কারন হিসেবে টপ আপ প্ল্যান গুলকেই দায়ি করা হচ্ছে রিপোর্টে । কেননা ভোডাফোন এবং আইডিয়া ও এয়ারটেল একটা মিনিমাম রিচারজ চালু করেছে যা মূল কারন এই গ্রাহক কমার বলে ভাবছেন অনেকে।

ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্কে আগমনের পর থেকে মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী কে যথা ভোডাফোন ও ভারতী এয়ারটেলকে এক প্রতিযোগিতায় ফেলেছিল জিও ।জিওর সাথে পাল্লা দিতে বেশ কিছু নতুন অফার নিয়ে আসে এই দুই নেটওয়ার্ক ও । তা সত্ত্বেও গ্রাহক সংখ্যা হারিয়ে পিছিয়ে পরল এয়ারটেল ও ভোদাফোন।