নয়াদিল্লি: ২০২১ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ফাইভ-জি আনছে রিলায়েন্স জিও। ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে এমন বার্তা দিয়েছেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্তা মুকেশ আম্বানি। আর সেটা হবে আত্মনির্ভর ভারতের সাক্ষ্য হিসেবে একেবারে দেশীয় প্রযুক্তি ও যন্ত্রাংশের হাত ধরে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ডিজিটাল ভারতের এক স্বপ্ন দেখিয়েছেন দেশবাসীকে। তিনি দেশবাসীর ক্ষমতায়ন ও দেশীয় যন্ত্রাংশ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ফাইভ-জি প্রযুক্তি মোবাইল সংযোগের কথা তুলেছেন।

এদিকে ফাইভ-জি আনার ক্ষেত্রে মুকেশ আম্বানির থেকে ভিন্নমত পোষণ করছেন এয়ারটেলের কর্ণধার সুনীল মিত্তল। তাঁর অভিমত, এখনও সময় হয়নি ভারতে ফাইভ-জি আনার ।তাছাড়া পরিকাঠামো এবং স্পেকট্রামের চড়া খরচে প্রসঙ্গ তুলেছেন। ফলে এই প্রযুক্তি আনতে আরও দু-তিন বছর সময় লাগবে বলেই মনে করছেন মিত্তল।

যখন এই পরিস্থিতিতে যখন ফাইভ-জি আনার কথা বলা হচ্ছে তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে কেন এত দিনে‌ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিএসএনএল ৪জি আনতে পারল না। পাশাপাশি এয়ারটেলের সিইও গোপাল ভিত্তল সতর্ক করেছেন, শুধু ভারতের জন্য নির্দিষ্ট প্রযুক্তির মাপকাঠি রাখা হলে বিশ্ব প্রতিযোগিতার বাজারে এদেশকে না পিছিয়ে পড়তে হয়। তখন তার দুর্ভোগ পোহাতে হবে গ্রাহকদের বলে মনে করছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।