কলকাতা: বঙ্গোপসাগরে কণিকা স্যান্ডস্-এ পণ্যবাহী জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করতে ট্রান্সলোডিং পরিকাঠামো গড়ে তুলতে আগামী সপ্তাহের গোড়ার দিকে জিন্দাল আইটিএফ -এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করবে কলকাতা বন্দর (কেওপিটি ) ৷ জিন্দাল আইটিএফ ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে কণিকা স্যান্ডস্-এ ২ বর্গ নটিক্যাল মাইল এলাকায় এই ট্রান্সলোডিং পরিকাঠামো ডিসেম্বরের মধ্যে গড়ে তুলবে৷ শুক্রবার বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কেওপিটি চেয়ারম্যান রাজপাল সিং কাহলে জানিয়েছেন , প্রথমে কণিকা স্যান্ডস্ ও পরে স্যান্ডহেডেও ট্রান্সলোডিং পরিকাঠামো তৈরি করা হবে৷ এর ফলে আগামী অর্থ বছরে অতিরিক্ত ৬০ লক্ষ টন পণ্য ওঠানো -নামানো করা যাবে ৷ আর ২০১৯ -২০ অর্থ বছরে শুধু ট্রান্সলোডিং -এর মাধ্যমেই ২.৫ কোটি টন পণ্য ওঠানো -নামানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে ৷ কণিকা স্যান্ডসে বছরে ৬ মাস ও স্যান্ডহেডে বাকি ৬ মাস ট্রান্সলোডিং করা হবে৷ তাঁর আশা , কণিকা স্যান্ডস্-এ এমন পরিকাঠামো গড়ে উঠলে, নাব্যতার কারণে যেসব বড় পণ্যবাহী জাহাজ হলদিয়ায় ঢুকতে না পেরে পারাদ্বীপ ও ধামরা বন্দরে চলে যায় সেগুলি আর সেখানে যাবে না ৷ ফলে পণ্য পরিবহণে বন্দরের রোজগারও অনেকটাই বাড়বে৷ কাহলোঁ জানান , বর্তমানে হলদিয়া বন্দরে পণ্য ওঠানো -নামানোর জন্য ব্যবহারকারীকে প্রতি টনে ৩৫০ টাকা চার্জ দিতে হয়৷ আগামী এক বছরের মধ্যে হলদিয়া বন্দরের বাইরে দুটি সম্পূর্ণ মেশিন চালিত টার্মিনাল তৈরি করা হবে তখন এই চার্জ কমে ২৫০ টাকায় দাঁড়াবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।