রাঁচি: বুথ ফেরত সমীক্ষা মিলে গেলে মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ার মতো বিতর্কিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চলেছে ঝাড়খণ্ড। বিধানসভা নির্বাচনে পর সবকটি সমীক্ষায় বিজেপি যে একার ক্ষমতায় সরকার গড়ছে না, তার ইঙ্গিত স্পষ্ট।

সবকটি সমীক্ষায় বিরোধী মহাজোট (কংগ্রেস-জেএমএম-আরজেডি)-এর স্বস্তি এলেও তাদেরও ক্রাইসিস ম্যানেজাররা তৈরি। যেমন প্রস্তুত বিজেপি।

সমীক্ষায় উঠে এসেছে অন্যান্যদের আসন প্রাপ্তির হিসেব। এতে কম বেশি ১১টি আসন পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আজসু, জেভিএম, বাম দলগুলির আসন পাওয়া ও অবস্থান বলছে ঝাড়খণ্ডে বিরাট পাওয়ার প্লে হবে।

নির্বাচন পরবর্তী বিতর্কিত ইস্যু হল নির্বাচিতদের শিবির বদল। এই প্রক্রিয়ার কাগুজে নাম ঘোড়া কেনা-বেচা বা হর্স ট্রেডিং। সমীক্ষায় স্পষ্ট ক্ষমতায় যাকেই আসতে হবে তাদের ভরসা ছোট দলের বিধায়ক।

বিধানসভার মোট ৮১টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে দরকার ৪১ জন বিধায়ক। বুথ ফেরত সমীক্ষায় বলা রয়েছে, সরকারে থাকা বিজেপি ও মহাজোট আটকে যাচ্ছে ২১-৩০টি আসনেই। তৃতীয় শক্তির অনুকুলে যাচ্ছে ১০-১১টি আসন।

বিজেপি বা মহাজোটের নজরে এই মহার্ঘ ১০-১১ জন বিধায়ক। তাদের নিয়েই চলছে পর্যালোচনা। যদিও বিজেপির দাবি, সরকার গড়তে প্রয়োজনীয় বিধায়ক থাকবে তাদের। পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হবেন রঘুবর দাস।

বিরোধী মহাজোটের মুখ্যমন্ত্রী পদ প্রার্থী তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বর্তমান সুপ্রিমো তৈরি সরকার গঠনের জন্য। তাঁর শরিক কংগ্রেস, আরজেডি। এই জোটের নজরেও সেই অন্যান্যরা।

ফলাফল ঘোষণার আগেই নিঃশব্দে দুই পক্ষ লেগে পড়েছে অন্য়ান্য়দের নিজ পক্ষে টেনে আনার কাজে। সূত্রের খবর, সুদূর মুম্বই থেকে কলকাঠি নাড়ছেন বর্ষীয়ান শরদ পাওয়ার। তাঁর পাওয়ার প্লে-তেই আরব সাগর তীরে দীর্ঘ বন্ধুত্বের সুতো ছিঁড়েছে বিজেপি-শিবসেনার। পাওয়ারের সমর্থনে সরকারে শিবসেনা।

ঝাড়খণ্ড বিজেপির অভ্যন্তরে গুঞ্জন, শরদ পাওয়ারের পাওয়ার প্লে আটকাতে মরিয়া হচ্ছেন রঘুবর যাদব। তবে শেষে কে হাসবেন তার উত্তর একমাত্র ইভিএমে। জনতা এখানেই আসল পাওয়ার প্লেয়ার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ